Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জেলা যুব তৃণমূল সভাপতিকে গাছে বেঁধে রাখার নিদান! বিতর্কে সুকান্ত

প্রকাশ্য সভা থেকে যুব তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি রামমোহন রায়কে গাছে ‘বেঁধে রাখার’ নিদান দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

জেলা যুব তৃণমূল সভাপতিকে গাছে বেঁধে রাখার নিদান! বিতর্কে সুকান্ত
  • ১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি ও সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: প্রকাশ্য সভা থেকে যুব তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি রামমোহন রায়কে গাছে ‘বেঁধে রাখার’ নিদান দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে দানা বেঁধেছে বিতর্ক। রবিবার পরিবর্তন সংকল্প মিছিল শেষে ময়নাগুড়ির নতুন বাজারে সভা করে বিজেপি। 

Advertisement

সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলার একাধিক নেতার নাম করে ‘তোলাবাজ’ বলে অভিযোগ করেন সুকান্ত। বলেন, যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ। হাতেনাতে ধরতে পারলে ওকে গাছে বেঁধে রাখুন। বাকিটা বিজেপি বুঝে নেবে। রামমোহনকে ‘রাবন মোহন’ বলেও কটাক্ষ করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা রাষ্ট্রমন্ত্রী। 
এনিয়ে অবশ্য পাল্টা তোপ দাগতে ছাড়েননি যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি। তাঁর চ্যালেঞ্জ, সুকান্ত মজুমদারের দম থাকলে আমাকে বেঁধে রাখুন। দরকার হলে আমি বালুরঘাটে যাব। দেখব, ওঁর কত বড় হিম্মত আছে। সুকান্তর মন্তব্য প্রসঙ্গে তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপের তোপ, আমাদের দলের নেতাদের ভয় পাচ্ছে বলেই বিজেপি উল্টোপাল্টা বলছে। 
সুকান্তর উপস্থিতিতে এদিন বিজেপির সভামঞ্চে যোগদান করেন ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি শিবম রায় বসুনিয়া এবং তাঁর বাবা তৃণমূলের ময়নাগুড়ি-২ নম্বর সাংগঠনিক ব্লকের প্রাক্তন সভাপতি শশাঙ্ক রায় বসুনিয়া। যদিও তাঁরা বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় দলের কোনও ক্ষতি হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী। তাঁর দাবি, ওঁরা দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের দলের সঙ্গে নেই। 
এদিন সভামঞ্চ থেকে সুকান্ত হুমকির সুরে জানিয়ে দেন, বিজেপি জিতলে ময়নাগুড়ি থানার সামনে বুলডোজার রাখা হবে। যেসব তৃণমূল নেতা বড় বাড়ি করছেন, ওই বুলডোজার দিয়ে তা ভেঙে দেওয়া হবে। ‘তোলাবাজ’রা পার পাবেন না বলে হুঁশিয়ারি দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। বলেন, মানুষের টাকা খেয়ে হজম করতে পারবেন না। আমরা জিতলে বমি করিয়ে সেই টাকা বের করে নেব। 
উত্তরবঙ্গ থেকে তৃণমূল আসন পাবে না বলে দাবি করেন সুকান্ত। বলেন, একুশের হার বিজেপি কড়ায় গণ্ডায় ছাব্বিশে উসুল করে নেবে। তাঁর আশ্বাস, বিজেপি ক্ষমতায় এলে প্রতিবছর চাকরির পরীক্ষা হবে। দুর্নীতি রুখতে অনলাইনে পরীক্ষা নেব আমরা। সিপিএম, কংগ্রেস ও তৃণমূল সব এক বলে মন্তব্য করেন সুকান্ত। মানুষের টাকা খেয়ে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে নেতা ধরে বিজেপিতে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করলে লাভ হবে না বলে জানিয়ে দেন তিনি। বলেন, আমাদের দলে আসতে হলে টাকা ফিরিয়ে নাকখত দিয়ে আসতে হবে। • নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ