Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ত্রাণ- রাজনীতি না করার আশ্বাস দিয়েই কেন্দ্রীয় বরাদ্দের প্রচারে সুকান্ত মজুমদার

‘ত্রাণ নিয়ে রাজনীতি করবেন না। তা না হলে এখানকার দুর্গত মানুষ আপনাকে বেচারা বানিয়ে দেবে।’— বুধবার জলপাইগুড়ির বিপর্যস্ত এলাকায় ত্রাণ বিলি করতে এসে তৃণমূলকে খোঁচা দিয়ে মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।

ত্রাণ- রাজনীতি না করার আশ্বাস দিয়েই কেন্দ্রীয় বরাদ্দের প্রচারে সুকান্ত মজুমদার
  • ৯ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি ও সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: ‘ত্রাণ নিয়ে রাজনীতি করবেন না। তা না হলে এখানকার দুর্গত মানুষ আপনাকে বেচারা বানিয়ে দেবে।’— বুধবার জলপাইগুড়ির বিপর্যস্ত এলাকায় ত্রাণ বিলি করতে এসে তৃণমূলকে খোঁচা দিয়ে মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। অথচ, তিনি নিজেই এদিন ঢাকঢোল পিটিয়ে কেন্দ্রীয় বরাদ্দের প্রচার করেছেন। যা পরস্পর বিরোধী বলেই কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। সুকান্ত বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ১৯০০ কোটি টাকা পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট ফান্ডে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২০২১ সাল থেকে এপর্যন্ত স্টেট ডিজাস্টার ফান্ডে কেন্দ্র প্রায় ৫ হাজার টাকা দিয়েছে।’ বুধবার জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের বোয়ালমারি নন্দনপুর অঞ্চলের বিপর্যস্ত এলাকায় ত্রাণ বিলি করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। 

Advertisement

শুধু তাই নয়, উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য তিনি কত কুইন্টাল চাল ত্রাণ হিসেবে পাঠিয়েছেন সে তথ্যও এদিন তুলে ধরেছেন সুকান্তবাবু। রাজ্যের শাসক দলকে কিছুটা ঠেস দিয়েই তিনি বলেন, ‘আমরা ছবি তুলতে আসি না। আমি আসার আগে ১০০ কুইন্টাল চাল পাঠিয়েছি দুর্গত এলাকায়। আমরা জলপাইগুড়ি, ময়নাগুড়ি, ধূপগুড়িতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দিয়েছি। রান্না করেও খাওয়ানো হচ্ছে। এখানে তৃণমূল কোথায়? আমাদের তো মনে হচ্ছে, গন্ডার যেমন ভেসে এসেছিল, সেভাবেই তৃণমূল ভেসে বাংলাদেশে চলে গিয়েছে।’ 
তাঁর এই সমস্ত মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহর পাল্টা তোপ, ‘এটাই বিজেপির আসল চরিত্র। কাজের থেকে বেশি ঢাক পেটায়। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তো মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। আমরা ত্রাণ হিসেবে কত কেজি চাল ডাল বিতরণ করছি তাও ঢাক ঢোল পিটিয়ে মানুষকে বলতে যাচ্ছি না। আসলে এরা শুধু রাজনৈতিক ফায়দার কথা ভেবেই কাজ করে। দেখবেন বিজেপি নদীর চড়ায় আটকে যাবে। সেটা সময় এলেই বুঝতে পারবেন সুকান্ত মজুমদার।’ এই বিষয়ে জলপাইগুড়ি জেলার যুব তৃণমূল সভাপতি রামমোহন রায় দাবি করেছেন, দুর্গত এলাকায় সুকান্ত মজুমদার রাজনীতি করতে এসেছেন। উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন। বাংলার মানুষ শান্তিতে থাকুক, এটা বিজেপি চায় না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ