Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বর্ষাকালের শুরুতেই জল জমে চরম ভোগান্তি শান্তিপুর থেকে রানাঘাটে

রাজ্যে বর্ষা ঢুকে গিয়েছে। যার প্রভাবে সোমবার সন্ধ্যা থেকেই টানা বৃষ্টি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার দিনভর চলে সেই বৃষ্টি। বর্ষার শুরুতেই লাগাতার বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।

বর্ষাকালের শুরুতেই জল জমে চরম ভোগান্তি শান্তিপুর থেকে রানাঘাটে
  • ১৮ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: রাজ্যে বর্ষা ঢুকে গিয়েছে। যার প্রভাবে সোমবার সন্ধ্যা থেকেই টানা বৃষ্টি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার দিনভর চলে সেই বৃষ্টি। বর্ষার শুরুতেই লাগাতার বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন। শান্তিপুর থেকে রানাঘাট— বিভিন্ন জায়গায় জল জমার সমস্যা নজরে এসেছে। আবার টানা বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন বাস রুটে কাটছাঁট করা হয়েছিল। ফলে সপ্তাহের শুরুতেই ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। 

Advertisement

বিগত কয়েক বছর ধরেই শান্তিপুরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড পঞ্চাননতলা শ্যামচাঁদ মন্দির সংলগ্ন এলাকায় অল্প বৃষ্টিতেই জল জমে যায়। সেইসঙ্গে বেহাল হয়ে পড়ে রাস্তা। মানুষের দুর্ভোগ চরমে ওঠে। সোমবার থেকে টানা বৃষ্টিতে ফের প্রকট হয়েছে ওই এলাকার জলযন্ত্রণার চেনা ছবি। কোথাও গোড়ালি সমান, তো কোথাও তার চেয়েও বেশি জল জমে রয়েছে। নিকাশি নালাগুলির বেহাল দশার কারণেই বৃষ্টি হলেই নিয়ম করে ওই চত্বরে জল জমে বলে সাধারণ মানুষের অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে শান্তিপুরের চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ বলেন, ওই রাস্তাটি পিডব্লিউডির, আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে রাস্তা সংস্কারের আবেদন জানিয়েছি। খারাপ রাস্তার জন্যই জল জমছে। দ্রুত সেই সমস্যা মিটে যাবে। 
এদিকে, শান্তিপুরের পাশাপাশি রানাঘাট শহরেও বিক্ষিপ্তভাবে জল জমার খবর মিলেছে। বিশেষ করে ১৬ নম্বর এবং ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে। দু’টি ওয়ার্ডই রেল লাইনের পূর্ব পাড়ে হওয়ায় সেখানকার নিকাশি সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাশি নালা সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। যদিও বর্ষার আগেই সেই সমস্যা মিটবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রানাঘাটের চেয়ারম্যান কোশলদেব বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে টানা বৃষ্টিতে সবচেয়ে সমস্যায় পড়েছেন অফিসমুখী বাসযাত্রীরা। কারণ লাগাতার বৃষ্টির কারণে কাটছাট করা হয়েছিল বাস সার্ভিসে। রানাঘাট থেকে কৃষ্ণনগর ভায়া শান্তিপুর এবং রানাঘাট থেকে কৃষ্ণনগর ভায়া বাদকুল্লা দুইটি রুটেই অন্যান্য দিনেই চেয়ে বেশ কিছুটা কম বাস চলেছে। এর মধ্যে শান্তিপুর হয়ে কৃষ্ণনগরগামী রুটের ৩০টির মধ্যে ২০টি বাস চলেছে। বাদকুল্লা রুটের ৭টির মধ্যে ৪টি বাস চলাচল করে এদিন। বাস মালিক সমিতির সম্পাদক মদন দাস বলেন, মাঝে বেশ কিছুদিন অনেক ট্রেন বাতিল থাকায় প্রচুর বাস চলেছে। তাই দু’-একদিন একটু কম বাসই চলছে। তাছাড়া বৃষ্টির জন্য যাত্রীরও হয় কম। তাই অনেকেই বাস বের করেন না। এছাড়াও রানাঘাট-বলাগড় ঘাট রুটের বাস তো আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ফলে সেখানে গাড়ি না পাওয়াই স্বাভাবিক।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ