Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

নেতাদের আকস্মিক মৃত্যুতে বারবার বদলেছে মারাঠা রাজনীতির গতিপথ

উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার নন। এর আগেও প্রমোদ মহাজন, বিলাসরাও দেশমুখ থেকে গোপীনাথ মুন্ডের আকস্মিক মৃত্যু নাড়িয়ে দিয়েছিল মারাঠা রাজনীতিকে।

নেতাদের আকস্মিক মৃত্যুতে বারবার বদলেছে মারাঠা রাজনীতির গতিপথ
  • ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

মুম্বই: উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার নন। এর আগেও প্রমোদ মহাজন, বিলাসরাও দেশমুখ থেকে গোপীনাথ মুন্ডের আকস্মিক মৃত্যু নাড়িয়ে দিয়েছিল মারাঠা রাজনীতিকে। ২০০৬ সালের ৩ মে ভাইয়ের হাতে গুলিতে খুন হন বিজেপি নেতা তথা তৎকালীন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী প্রমোদ মহাজন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ি থেকে প্রাক্তন উপপ্রধানমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আদবানির আস্থাভাজন ছিলেন প্রমোদ। বাজপেয়ি-আদবানির পর প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে তাঁর নামে জল্পনা ছড়িয়েছিল। তাঁকে বলা হত বিজেপির ‘কিং মেকার।’ সাংবাদিক জীতেন্দ্র দীক্ষিত ‘বম্বে আফটার অযোধ্যা: এ সিটি ইন ফ্লাক্স’ বইয়ে লিখেছেন, মহাজনকে প্রশ্ন করেছিলাম বাজপেয়ি, আদবানির পর বিজেপির পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী কে হচ্ছেন? মৃদু হেসে তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, আর কে বিকল্প রয়েছেন? প্রকাশ্যে কিছু না বললেও পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুপ্ত বাসনা ছিল তাঁর।

Advertisement

মহাজন যদি ‘চাণক্য’ হন, তাহলে বিজেপির ‘চন্দ্রগুপ্ত’ ছিলেন গোপীনাথ মুন্ডে। তাঁদের ‘মাস্টারস্ট্রোক’ ছিল ১৯৯৫ সালে শিবসেনার সঙ্গে জোট। এই জোটই মারাঠা ভূমিতে কংগ্রেস সরকারের পতন ডেকে এনেছিল।

মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসের অন্যতম মুখ্য ছিলেন বিলাসরাও দেশমুখ। তিনি দু’বার মুখ্যমন্ত্রীও হয়েছিলেন। ২০১২ সালে তাঁর আকস্মিক মৃত্যুর পর হাত শিবিরের ঘাঁটি নড়বড়ে হতে শুরু করে মহারাষ্ট্রে। এরপর অজিত পাওয়ারের মৃত্যু। আরও একটি শূন্যতা তৈরি হল মারাঠা রাজনীতিতে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ