সংবাদদাতা, ঘাটাল: ঘাটাল শহরের অধিকাংশ ওয়ার্ড জলের তলায়। এই পরিস্থিতিতে ঘাটাল বিদ্যাসাগর হাইস্কুল এবং ঘাটাল বসন্তকুমারী বালিকা বিদ্যালয় পরীক্ষা নেওয়া শুরু করায় পড়ুয়ারা সমস্যায় পড়েছে। বহু ছাত্রছাত্রীকেই অনেকটা জল পেরিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্র যেতে হচ্ছে। কেউ আবার পরীক্ষা দিতে আসতেই পারছে না। ঘাটালের বিদ্যাসাগর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক পঙ্কজ ভুঁইয়া বলেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ১ আগস্ট থেকে ৮ আগস্টের মধ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেই মতো স্কুলে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। কিন্তু আমাদের পক্ষে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ, এরপরই ১২-২৫ আগস্ট আমাদের স্কুলে প্রাথমিক ডিইএলএড পরীক্ষা চলবে। এসএসসির জন্য আবার ৭ ও ১৪ আগস্ট স্কুল ফাঁকা রাখতে বলা হয়েছে। সেজন্য পরীক্ষা পিছনো সম্ভব নয়। তবে বন্যার কারণে যারা পরীক্ষা দিতে যেতে পারছে না, তাদের ফের আমরা পরীক্ষা নিতে পারব। ঘাটাল বসন্তকুমারী বালিকা বিদ্যালয়ের পরিচালন কমিটির সভাপতি দীপক ঘোষালের কথায়, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির জন্য স্কুলের পরীক্ষা পিছানো সম্ভব হয়নি। যারা এখন পরীক্ষা দিতে পারছে না, তাদের পরে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা হবে। ঘাটাল শহরের মোট ওয়ার্ড সংখ্যা ১৭। এর মধ্যে ১২টি ওয়ার্ড সম্পূর্ণভাবে এবং একটি ওয়ার্ড আংশিক জলমগ্ন রয়েছে। এছাড়াও যে সব গ্রামপঞ্চায়েত এলাকা থেকে ওই দু’টি স্কুলে পড়ুয়া যায় সেই এলাকাগুলিও জলমগ্ন রয়েছে। স্কুলে পরীক্ষা হওয়ার ফলে ছাত্রছাত্রীদের কাউকে ডিঙিতে করে, কাউকে বা কোমর জল পেরিয়ে পরীক্ষা দিতে যেতে হচ্ছে। তৃণমূলের ঘাটাল শহর সভাপতি অরুণকুমার মণ্ডল বলেন, এই জল ডিঙিয়ে ছাত্রছাত্রীদের ঝুঁকির মধ্য দিয়ে স্কুলে আসতে হচ্ছে।



