Bartaman Logo
৩১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

বাংলাদেশে পুলিশকর্তাকে পুড়িয়ে খুনে অভিযুক্ত ছাত্রনেতা দিল্লিতে!

থানায় বসে ক্যামেরার সামনেই হিন্দু পুলিশ অফিসারকে খুনের কথা স্বীকার করেছিল বাংলাদেশের ছাত্রনেতা মাহদি হাসান। সেই ‘বিতর্কিত’ ছাত্রনেতার দেখা মিলল দিল্লিতে! মঙ্গলবার ভিসা সংক্রান্ত একটি সংস্থার দপ্তরে তাকে প্রথম বসে থাকতে দেখা যায়।

বাংলাদেশে পুলিশকর্তাকে পুড়িয়ে খুনে অভিযুক্ত ছাত্রনেতা দিল্লিতে!
  • ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: থানায় বসে ক্যামেরার সামনেই হিন্দু পুলিশ অফিসারকে খুনের কথা স্বীকার করেছিল বাংলাদেশের ছাত্রনেতা মাহদি হাসান। সেই ‘বিতর্কিত’ ছাত্রনেতার দেখা মিলল দিল্লিতে! মঙ্গলবার ভিসা সংক্রান্ত একটি সংস্থার দপ্তরে তাকে প্রথম বসে থাকতে দেখা যায়। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর মাহদি ভারত হয়ে ইউরোপের কোনো দেশে পালানোর ছক কষেছে বলে জল্পনা ছড়ায়। তারপরই হইচই শুরু হয় বাংলাদেশে। খুনে অভিযুক্ত একজন ব্যক্তি কীভাবে ভারতে প্রবেশ করল, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। ভারতে আসার বিষয়টি সামনে আসার পর মাহদি নিজেই সমাজমাধ্যমে জানায়, ফিনল্যান্ডে যাওয়ার ভিসা পেতে দিল্লি গিয়েছে সে। কিন্তু তাকে ফোন করে হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং দিল্লির রাস্তায় অনুসরণ করা হচ্ছে। এদিকে, বুধবার দুপুরে মাহদি ফের একটি ভিডিয়ো বার্তায় জানায়, দিল্লি বিমানবন্দরে পুলিশ তাকে আটক করেছিল।

Advertisement

৪০ মিনিট ধরে তাকে আটকে রেখে শারীরিক হেনস্তা করা হয়েছে। জেরার শেষে তাকে বাংলাদেশে ফেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানায় সে। পরে বিকেলে ঢাকা বিমানবন্দরে মাহদিকে প্রায় দু’ঘণ্টা জেরা করা হয়। এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলেও মাহদি স্পষ্ট করে কিছু বলতে রাজি হয়নি।  বাংলাদেশের কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের দাবি, ওই ছাত্রনেতা ইউরোপে পালানোর চেষ্টা করেছিল কিন্তু তাকে দিল্লি পুলিশ আটক করার পর বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। যদিও, ভারত সরকারের তরফে এই নিয়ে কিছু জানানো হয়নি।২০২৪ সালে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা বিরোধী আন্দোলন শুরু হওয়ার পর বিভিন্ন থানায় হামলা চালায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যরা। হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানায় হামলায় চালিয়ে এসআই সন্তোষ চৌধুরিকে পুড়িয়ে মারা হয়। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি শায়েস্তাগঞ্জ থানায় ছাত্র আন্দোলনের নেতাকে ছাড়াতে যায় মাহদি। সেখানে পুলিশের সামনেই সে শাসানি দিয়ে বলে, ‘এসআই সন্তোষকে আমরাই পুড়িয়ে মেরেছিলাম।’ সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়তেই মাহদিকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু, একদিনের মধ্যেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের দাবি, মাহদি ডিজিটাল ওয়ালেটে প্রায় ৩৮ লক্ষ টাকা নিয়ে ভারতে গিয়েছিল। দেশ ছেড়ে পাকাপাকিভাবে বিদেশে থাকতেই এত টাকা নিয়ে সে দিল্লি গিয়েছিল।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ