সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: সাঁতুড়ি ব্লকের মুরাডি গ্রাম থেকে রামচন্দ্রপুর চক্ষু হাসপাতাল অবধি পিচ রাস্তা বহু মানুষ ব্যবহার করেন। গ্রামবাসী, ছাত্রছাত্রী, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে চক্ষু হাসপাতালে যাতায়াতকারী রোগীদেরও এখান দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা দু’বছর ধরে বেহাল হয়ে পড়ে রয়েছে। রাস্তাজুড়ে বড় বড় গর্ত হয়েছে। তাতে বৃষ্টির জল জমে থাকায় মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটছে। সেজন্য তাড়াতাড়ি রাস্তাটি সংস্কারের দাবি তুলেছেন গ্রামের বাসিন্দারা।
Advertisement
মুরাডি গ্রাম থেকে রামচন্দ্রপুর চক্ষু হাসপাতালের শেষ সীমানা অবধি ১.৪৫ কিমি রাস্তা রয়েছে। এই রাস্তা দিয়ে সহজে মুরাডি রেলস্টেশন যাওয়া যায়। কোটালডি, রাঙাডাঙা, মুরাডি, কৃষ্ণপুর বাজারের বাসিন্দারাও এই পথ দিয়ে সহজে রামচন্দ্রপুর পঞ্চায়েতে ও সাঁতুড়ি বিডিও অফিসে যাতায়াত করতে পারেন। রামচন্দ্রপুর উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরাও এই রাস্তা ব্যবহার করে। এছাড়া, এটি জেলার সবচেয়ে বড় চক্ষু হাসপাতালে যাওয়ার মূল রাস্তা।
স্বল্প দূরত্বের এই রাস্তায় রামচন্দ্রপুর পঞ্চায়েত অফিস, সাঁতুড়ি বিডিও অফিস, বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার অফিস, চক্ষু হাসপাতাল, বিদ্যালয়, বেশ কিছু ওষুধের দোকান রয়েছে। ২০২৩ সালে পথশ্রী প্রকল্পে রাস্তাটি সংস্কারের জন্য প্রায় ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়। কিন্তু সেসময় পিএইচই রাস্তার ধারে জলের পাইপ পাতার কাজ করছিল। ফলে রাস্তা সংস্কার শুরু করা হয়নি। এখন রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। যদিও পুজোর আগে কারখানার ডাস্ট ফেলে রাস্তাটি কিছুটা চলাচলের যোগ্য করে তোলা হয়েছিল।
বিজেপি নেতা অরূপ আচার্য বলেন, বিজেপি রামচন্দ্রপুর পঞ্চায়েতে ক্ষমতায় থাকাকালীন ধাপে ধাপে রাস্তাটি সংস্কারে সক্রিয় হয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল পঞ্চায়েতের বোর্ডে এসে সেসব পরিকল্পনা বাদ দিয়েছে। সাঁতুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি রামপ্রসাদ চক্রবর্তী বলেন, ২০২৩ সালে রাস্তাটি তৈরির জন্য টাকা বরাদ্দ করা হয়। কিন্তু তখন রাস্তা খুঁড়ে পাইপ পাতা চলছিল। তাই কাজটি করা যায়নি। আমরা রাস্তাটি সংস্কারের জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে সমস্ত কাগজপত্র জমা দিয়েছি।
স্বল্প দূরত্বের এই রাস্তায় রামচন্দ্রপুর পঞ্চায়েত অফিস, সাঁতুড়ি বিডিও অফিস, বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার অফিস, চক্ষু হাসপাতাল, বিদ্যালয়, বেশ কিছু ওষুধের দোকান রয়েছে। ২০২৩ সালে পথশ্রী প্রকল্পে রাস্তাটি সংস্কারের জন্য প্রায় ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়। কিন্তু সেসময় পিএইচই রাস্তার ধারে জলের পাইপ পাতার কাজ করছিল। ফলে রাস্তা সংস্কার শুরু করা হয়নি। এখন রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। যদিও পুজোর আগে কারখানার ডাস্ট ফেলে রাস্তাটি কিছুটা চলাচলের যোগ্য করে তোলা হয়েছিল।
বিজেপি নেতা অরূপ আচার্য বলেন, বিজেপি রামচন্দ্রপুর পঞ্চায়েতে ক্ষমতায় থাকাকালীন ধাপে ধাপে রাস্তাটি সংস্কারে সক্রিয় হয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল পঞ্চায়েতের বোর্ডে এসে সেসব পরিকল্পনা বাদ দিয়েছে। সাঁতুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি রামপ্রসাদ চক্রবর্তী বলেন, ২০২৩ সালে রাস্তাটি তৈরির জন্য টাকা বরাদ্দ করা হয়। কিন্তু তখন রাস্তা খুঁড়ে পাইপ পাতা চলছিল। তাই কাজটি করা যায়নি। আমরা রাস্তাটি সংস্কারের জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে সমস্ত কাগজপত্র জমা দিয়েছি।



