Bartaman Logo
৭ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

প্রতি ওয়ার্ড থেকে ‘ফিটনেস সার্টিফিকেট’ আসার পর বিধাননগরে জ্বলল স্ট্রিট লাইট

জলমগ্ন হয়ে পড়েছিল বিস্তীর্ণ এলাকা। তাই দুর্ঘটনা এড়াতে মঙ্গলবার শহরের সমস্ত স্ট্রিট লাইট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিধাননগর পুরসভা। প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে ফিটনেস সার্টিফিকেট পাওয়ার পর বুধবার রাতে সল্টলেক সহ বিধাননগর পুরসভার রাস্তায় ফের জ্বলল স্ট্রিট লাইট।

প্রতি ওয়ার্ড থেকে ‘ফিটনেস সার্টিফিকেট’ আসার পর বিধাননগরে জ্বলল স্ট্রিট লাইট
  • ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: জলমগ্ন হয়ে পড়েছিল বিস্তীর্ণ এলাকা। তাই দুর্ঘটনা এড়াতে মঙ্গলবার শহরের সমস্ত স্ট্রিট লাইট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিধাননগর পুরসভা। প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে ফিটনেস সার্টিফিকেট পাওয়ার পর বুধবার রাতে সল্টলেক সহ বিধাননগর পুরসভার রাস্তায় ফের জ্বলল স্ট্রিট লাইট। মঙ্গলবার একাধিক জায়গায় জল জমলেও বুধবার মূল সল্টলেকের প্রায় সমস্ত জায়গা থেকে জল বেরিয়ে গিয়েছে। যেসব এলাকা জলমগ্ন হয়েছিল, সেখানে ব্লিচিং সহ মশা মারার ওষুধ স্প্রে করা হয়। মূলত ডেঙ্গুর মশার বংশবৃদ্ধি আটকাতেই এই ব্যবস্থা।

Advertisement

বুধবার মূল সল্টলেক শহরে অবশ্য কোথাও জল চোখে পড়েনি। তবে সল্টলেক সংলগ্ন অ্যাডেড এরিয়ায় কিছু জায়গায় জল রয়েছে। রাজারহাটের কয়েকটি এলাকায় জল রয়েছে। পুরসভার ৪১টি ওয়ার্ডে বেশিরভাগ স্ট্রিট লাইটের খুঁটির নীচে রয়েছে ফিডার বক্স। কোনওভাবে সেখান থেকে বিপদ ঘটতে পারে—এই আশঙ্কা থেকেই মঙ্গলবার রাতে স্ট্রিট লাইট জ্বালানো হয়নি। দায়িত্বে থাকা এজেন্সিগুলিকে সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ফিটনেস সার্টিফিকেট জমা দিতে বলেছিল পুরসভা। বুধবার বিকেলে বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী বলেন, ‘আমরা প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে ফিটনেস সার্টিফিকেট পেয়েছি। তারপরই স্ট্রিট লাইট জ্বালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পরিস্থিতির দিকে আমাদের নজর রয়েছে।’
জল জমা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সল্টলেকে মঙ্গলবারই জল নেমে গিয়েছিল। বুধবার কোথাও জল নেই। ৩৫, ৩৮ ও ৩৯ নং ওয়ার্ডের কিছু জায়গায় জল আছে। তবে রাতের মধ্যেই নেমে যাবে। রাজারহাটের দিকে ২ নম্বর ওয়ার্ডের খাদিম কমপ্লেক্সের একটি গলিতে, ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ঝাউতলার একটি গলিতে, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভিডিও গলিতে এবং ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে আইপিএস গলিতে অল্প একটু জল আছে। সেই জল নামানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘পুজোর সময় বৃষ্টি হলে জল বের করা সহ প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।’ 
এবার এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র। তবুও বৃষ্টি পরবর্তী সময়ে আরও বেশি করে সাফাই ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলছে। ইতিমধ্যে মশার ওষুধ ও ব্লিচিং ছড়ানো হয়েছে। পুজোর সময় প্যাণ্ডেল এবং সংলগ্ন এলাকা থেকে জঞ্জাল সরানোর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। পর্যাপ্ত জল সরবরাহও করা হবে। রান্না ও ব্যবহারের জল পুরসভা দেবে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ