Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আজব অঙ্গনওয়াড়ি, কচিকাঁচারা না এলেও রোজ রান্না হয় ৪০ জনের!

জলপাইগুড়িতে এ এক আজব অঙ্গনওয়াড়ি! এখানে রোজ ৪০ জনের রান্না হয়। অথচ কোনও বাচ্চা আসে না। কোনও কোনও দিন দু’-একজন এলেও পড়াশোনা হয় না।

আজব অঙ্গনওয়াড়ি, কচিকাঁচারা না এলেও রোজ রান্না হয় ৪০ জনের!
  • ২৬ আগস্ট, ২০২৫ ১২:০৮
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়িতে এ এক আজব অঙ্গনওয়াড়ি! এখানে রোজ ৪০ জনের রান্না হয়। অথচ কোনও বাচ্চা আসে না। কোনও কোনও দিন দু’-একজন এলেও পড়াশোনা হয় না। বাটি ভরে ভাত, তরকারি কিংবা সেদ্ধ বা কাঁচা ডিম নিয়ে বাড়ি চলে যান অভিভাবকরা! 

Advertisement

আজ, মঙ্গলবার শহর লাগোয়া অরবিন্দ পঞ্চায়েতের গোমস্তাপাড়ায় হরিদাসী আইসিডিএসে সকাল দশটায় এসে দেখা যায়, তালা ঝুলছে দরজায়। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা কারও দেখা নেই। এক অভিভাবক বলেন, ‘সহায়িকার বাড়িতে পুজো। তাই তিনি আসতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন।’ এদিকে কর্মীর বাইরে কী কাজ আছে। সেকারণে আজ আসবেন না তিনিও। আজকের খাবার কাল দেওয়া হবে! 
এমনটাও হয়? জলপাইগুড়ি সদরের বিডিও মিহির কর্মকারের প্রতিক্রিয়া, ‘গুরুতর অভিযোগ। কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ সংশ্লিষ্ট অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী চিত্রা ভৌমিক বলেন, ‘আমি ফিল্ডে আছি। ই-কেওয়াইসির কাজে ব্যস্ত আছি। আমার কেন্দ্রের সহায়িকা ফেব্রুয়ারি থেকে নেই। একজনকে রান্না করার জন্য রাখা হয়েছে। তাঁর এদিন রান্না করার কথা। কেন তিনি আসেননি, রান্না করেননি, খোঁজ নেব।’ অন্যদিকে ওই কেন্দ্রের সহায়িকার দায়িত্বে থাকা লক্ষ্মী রজকের দাবি, ‘মঙ্গলবার আমার পুজো থাকে। তাই এদিন সেন্টারে রান্না করতে পারব না বলে কর্মীকে জানিয়ে দিয়েছি।’ খাবার না হয় হল, কিন্তু পড়াশোনা? অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মীর দাবি, ‘এখানে তো কোনও বাচ্চাই পড়তে আসে না। রোজ ৪০ জনের রান্না হয়। বেশিরভাগ অভিভাবক কাঁচা ডিম কিংবা সেদ্ধ ডিম নিয়ে বাড়ি চলে যান।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ