নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার ও সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার, দিনহাটা: শিয়রে সংক্রান্তি! পাঁচদিন পর সিতাই ও মাদারিহাট আসনে বিধানসভা উপ নির্বাচন। অথচ ছন্নছাড়া দশা বিজেপির। চা বলয়ের নেতা জন বারলা তথা আলিপুরদুয়ারের দলের প্রাক্তন সাংসদ বেসুরো গাওয়ার পর গেরুয়া শিবিরের হাবভাব দেখে মনে হচ্ছে নির্বাচনী রণক্ষেত্রে যেন অস্ত্র নামিয়ে আত্মসমর্পণ করেছে।
Advertisement
সিতাইয়ে দলের হেভিওয়েট নেতাদের একের পর এক সভা ফ্লপ হচ্ছে দেখে বিজেপির রাজ্যস্তরের নেতারা এখন ফোকাস করেছেন দলের গড় বলে পরিচিত মাদারিহাটকে। তবে, এই আসন ধরে রাখতে প্রাণপাত করলেও খুব একটা লাভ হবে বলে মনে করছেন না দলেরই একাংশ। কারণ জনতার দরবারে গিয়ে প্রার্থীকে জেতানোর আবেদন করলেই পাল্টা প্রশ্ন ধেয়ে আসছে গেরুয়া নেতাদের দিকে। জনগণ বলছে, দু’বার তো বিজেপির প্রার্থীকে জিতিয়েছি। আমাদের জন্য কী করেছেন তিনি? এর উত্তর নেই বিজেপির কাছে। কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক নিখিলরঞ্জন দে ও মাথাভাঙার বিধায়ক সুশীল বর্মনকে বিজেপি আগেই মাদারিহাটের দায়িত্ব দিয়ে রেখেছে।
এছাড়াও অন্য হেভিওয়েটরাও ঘাঁটি গেড়েছেন সেখানে। দলের আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি তথা সাংসদ মনোজ টিগ্গার দাবি, মাদারিহাট রক্ষা করতে গিয়ে সিতাইয়ের দিকে নজর না দেওয়ার কথা ঠিক নয়। সেখানে প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ গিয়েছেন। এখনও প্রচারের কয়েক দিন বাকি আছে। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও যাবেন। আসলে সিতাইয়ে যেন লড়াইয়ের আগেই হাল ছেড়ে বসে রয়েছে বিজেপি। তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব নিয়মিত অঞ্চলে অঞ্চলে প্রচার করছে। উল্টোদিকে, জেলায় বিজেপির ছয় বিধায়ক থাকলেও, তাঁরা নিয়মিত প্রচারে নেই। বুধবার বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ, জলপাইগুড়ির সাংসদ জয়ন্ত রায় সিতাইয়ে প্রচার করে গিয়েছেন। তাতে যে ভোটারদের প্রভাবিত করা যায়নি, সেকথা আলোচনা শুরু হয়েছে দলেই। আসলে জনসমর্থন না থাকায় বড় সভা করার সাহসই পাচ্ছে না গেরুয়া ব্রিগেড। দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা উত্তরবঙ্গে প্রচারে এসেছেন। কিন্তু দু’জনের কেউই সিতাই কেন্দ্রে এখনও পা রাখেননি। কর্মীদের মধ্যেও প্রচারে যাওয়ার প্রবল অনীহা। শুধুমাত্র দিলীপ ঘোষ বুধবার এখানে সভা করেছেন। তাঁর একাধিক পথসভায় লোক ছিল গুটিকয়েক।
বিজেপির এই মুখ থুবড়ে পড়া অবস্থা দেখে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। কোচবিহারের সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার ব্যঙ্গ, সিতাইকে মনে হয় বিজেপি আগে থেকেই হিসেবের খাতা থেকে বাদ দিয়ে রেখেছে।
বৃহস্পতিবার সারাদিন ভেটাগুড়ি, মাতালহাটে প্রচার করেছি। বিজেপিকে সেভাবে ময়দানে দেখছি না। হার নিশ্চিত জেনে এদিকে আর সময় নষ্ট করতে চাইছে না।
সিতাই বিধানসভার বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা তথা কোচবিহার জেলা সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ বর্মন সেই সন্ত্রাসের অজুহাত খাড়া করেছেন। তাঁর মন্তব্য, বাড়িতে বাড়িতে বিজেপি নেতাকর্মীদের ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূল নেতারা। আতঙ্কিত অনেকেই প্রচারে যেতে চাইছেন না। আপাতত খুলি বৈঠক আর বাড়ি বাড়ি প্রচারেই জোর দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যের কোনও নেতার সিতাইয়ে বড় সভা করা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি।
এছাড়াও অন্য হেভিওয়েটরাও ঘাঁটি গেড়েছেন সেখানে। দলের আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি তথা সাংসদ মনোজ টিগ্গার দাবি, মাদারিহাট রক্ষা করতে গিয়ে সিতাইয়ের দিকে নজর না দেওয়ার কথা ঠিক নয়। সেখানে প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ গিয়েছেন। এখনও প্রচারের কয়েক দিন বাকি আছে। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও যাবেন। আসলে সিতাইয়ে যেন লড়াইয়ের আগেই হাল ছেড়ে বসে রয়েছে বিজেপি। তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব নিয়মিত অঞ্চলে অঞ্চলে প্রচার করছে। উল্টোদিকে, জেলায় বিজেপির ছয় বিধায়ক থাকলেও, তাঁরা নিয়মিত প্রচারে নেই। বুধবার বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ, জলপাইগুড়ির সাংসদ জয়ন্ত রায় সিতাইয়ে প্রচার করে গিয়েছেন। তাতে যে ভোটারদের প্রভাবিত করা যায়নি, সেকথা আলোচনা শুরু হয়েছে দলেই। আসলে জনসমর্থন না থাকায় বড় সভা করার সাহসই পাচ্ছে না গেরুয়া ব্রিগেড। দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা উত্তরবঙ্গে প্রচারে এসেছেন। কিন্তু দু’জনের কেউই সিতাই কেন্দ্রে এখনও পা রাখেননি। কর্মীদের মধ্যেও প্রচারে যাওয়ার প্রবল অনীহা। শুধুমাত্র দিলীপ ঘোষ বুধবার এখানে সভা করেছেন। তাঁর একাধিক পথসভায় লোক ছিল গুটিকয়েক।
বিজেপির এই মুখ থুবড়ে পড়া অবস্থা দেখে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। কোচবিহারের সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার ব্যঙ্গ, সিতাইকে মনে হয় বিজেপি আগে থেকেই হিসেবের খাতা থেকে বাদ দিয়ে রেখেছে।
বৃহস্পতিবার সারাদিন ভেটাগুড়ি, মাতালহাটে প্রচার করেছি। বিজেপিকে সেভাবে ময়দানে দেখছি না। হার নিশ্চিত জেনে এদিকে আর সময় নষ্ট করতে চাইছে না।
সিতাই বিধানসভার বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা তথা কোচবিহার জেলা সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ বর্মন সেই সন্ত্রাসের অজুহাত খাড়া করেছেন। তাঁর মন্তব্য, বাড়িতে বাড়িতে বিজেপি নেতাকর্মীদের ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূল নেতারা। আতঙ্কিত অনেকেই প্রচারে যেতে চাইছেন না। আপাতত খুলি বৈঠক আর বাড়ি বাড়ি প্রচারেই জোর দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যের কোনও নেতার সিতাইয়ে বড় সভা করা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি।



