Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এই মরশুমে চাষিদের থেকে ২ লক্ষ টন ধান কিনবে রাজ্য, জারি হল নির্দেশিকা

চলতি ২০২৫-২৬ বোরো-রবি মরশুমে চাষিদের কাছ থেকে ২ লক্ষ টন ধান কেনার নির্দেশিকা জারি করেছে খাদ্যদপ্তর। রাজ্য সরকারের নিজস্ব মজুত ভাণ্ডার বা স্টেট পুলের জন্য ১ জুন থেকে এই ধান কেনা হবে।

এই মরশুমে চাষিদের থেকে ২ লক্ষ টন  ধান কিনবে রাজ্য, জারি হল নির্দেশিকা
  • ২৫ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চলতি ২০২৫-২৬ বোরো-রবি মরশুমে চাষিদের কাছ থেকে ২ লক্ষ টন ধান কেনার নির্দেশিকা জারি করেছে খাদ্যদপ্তর। রাজ্য সরকারের নিজস্ব মজুত ভাণ্ডার বা স্টেট পুলের জন্য ১ জুন থেকে এই ধান কেনা হবে। প্রসঙ্গত, সরকারি উদ্যোগে ইতিমধ্যেই ৪৮ লক্ষ টনের কিছু বেশি পরিমাণ ধান ২৭ লক্ষের অধিক চাষির কাছ থেকে নভেম্বর থেকে মে মাসের মধ্যে কেনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের মজুত ভাণ্ডারের জন্য যে পরিমাণ ধান প্রয়োজন সেটা ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। খাদ্যদপ্তর আরো জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় ক্রয় কেন্দ্র (সিপিসি) থেকে শুধু নতুন করে ধান কেনা হবে। অস্থায়ী ক্রয় শিবির এখন হবে না। প্রতি সিপিসিতে প্রতিদিন ৩০ জন করে চাষি ধান বেচতে পারবেন। কৃষকবন্ধু প্রকল্পে নথিভুক্তরা জমির পরিমাণ ভিত্তিতে ধান বেচতে পারবেন ১৫ থেকে ৯০ কুইন্টাল পর্যন্ত। অনথিভুক্ত চাষিরা বিডিওর অনুমোদনসাপেক্ষে ১০ কুইন্টাল পর্যন্ত ধান বেচতে পারবেন। উল্লেখ্য, নতুন আমন ধান ওঠার পর ডিসেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত চাষিরা বেশি পরিমাণে ধান সরকারের কাছে বিক্রি করেন। এপ্রিল -মে মাসে নতুন বোরো ধান ওঠার পর দ্বিতীয় দফায় ধান বিক্রি শুরু হয়। ১২টি জেলা থেকে এই পর্যায়ে কত পরিমাণ ধান কেনা হবে সেটাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের কোটা সর্বোচ্চ ৩০ হাজার কুইন্টাল নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

Advertisement

এদিকে রেশনে গ্রাহকদের আটা দেওয়া বন্ধ করার বিষয়টিকে স্বাগত জানানো হয়েছে। তবে এটা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে জটিলতাও। অভিযোগ করেছে ডিলারদের সংগঠন। অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু এই ব্যাপারে খাদ্যদপ্তরের প্রধান সচিব পারভেজ আমেদ সিদ্দিকিকে চিঠি দিয়েছেন। তাতে বলা হয়েছে, গ্রামাঞ্চলে এবং জেলার বিভিন্ন শহরের সংশোধিত রেশন এলাকাতেও গ্রাহকদের আটার বদলে এখন  থেকে গম দেওয়া হবে। ঘোষণা করেছেন খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া। কিন্তু এই সংক্রান্ত কিছু সমস্যা কাটাতে দপ্তরের নির্দেশিকা পাওয়া যায়নি। এতে রেশন দোকানে যেসব আটার প্যাকেট এখনো রয়েছে সেগুলি গ্রাহকদের দেওয়া হবে কি না, তা বোঝা যাচ্ছে না। মজুত আটা দেওয়া যাবে এরকম কোনো নির্দেশ না এলে সমস্যা হবে। প্যাকেটের আটা পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। ই-পস মেশিনে এর জন্য কিছু পরিবর্তন করতে হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ