নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে কার্যত জলের তলায় বারাসতের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড। কোথাও কোথাও হাঁটু সমান জল। মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। ক্ষোভও বাড়ছে। তাঁদের বক্তব্য, ‘৩৫ নম্বর ওয়ার্ড শুধু নয়। বারাসতের অধিকাংশ অংশে জল জমে।’
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে কার্যত জলের তলায় বারাসতের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড। কোথাও কোথাও হাঁটু সমান জল। মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। ক্ষোভও বাড়ছে। তাঁদের বক্তব্য, ‘৩৫ নম্বর ওয়ার্ড শুধু নয়। বারাসতের অধিকাংশ অংশে জল জমে।’
সমাজমাধ্যমে জলে ডোবার ছবি দিয়ে কটাক্ষ চলছে। কেউ লিখছেন, ‘পরিবর্তন আমাদের খুব ভালো লেগেছে।’ কেউ বলছেন, ‘বারাসত নয়, যেন নদী।’ কেউ লিখছেন, ‘বিধানসভা ছোটো। সমস্যাও ছোটো। সমাধান কি এতই কঠিন?’ অধিকাংশ নাগরিকের বক্তব্য, ‘বারাসত বিধানসভা ৩৫টি ওয়ার্ড ও একটি পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। ছোটো এলাকা। তবুও নিকাশির সমস্যা দূর করা যায় না। সরকার পরিবর্তন হয়েছে চারমাস হয়েও গেল। তবুও সমস্যা মেটানো গেল না।’
রাজ্যে পালাবদলের পর বারাসত পুরবোর্ড ভেঙে প্রশাসক বসানো হয়েছে। আগের আমলে বেআইনি দখলদারির জন্য নিকাশির পথ আটকে যেন। ফলে জল জমত। এই ছিল অভিযোগ। কিন্তু এখন বিধায়ক হয়েছে বিজেপি থেকে। তারপর দখলদার উচ্ছেদ অভিযান হয়েছে। কিন্তু তারপরও নবপল্লি, কাজিপাড়া, অশ্বিনীপল্লি, কেএনসি রোড, হৃদয়পুর, টাকি রোড, বনমালিপুর সহ বিস্তীর্ণ এলাকা এবং একাধিক ওয়ার্ডে বৃষ্টির পর জল জমেছে বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের বক্তব্য, ‘রাজনীতিতে পরিবর্তন হলেও পরিষেবার ক্ষেত্রে পরিবর্তন কোথায়? নিকাশির মতো ছোটো সমস্যাও দূর করা গেল না।’ অশ্বিনীপল্লির রুমি মাহালির বক্তব্য, ‘সরকার বদলেছে, বিধায়ক বদলেছে। কিন্তু বৃষ্টি হলেই একই দুর্ভোগ।’ বনমালিপুরের সুভাষ মণ্ডল বলেন, ‘নিকাশির মতো ছোটো সমস্যার সমাধানই হচ্ছে না। তাহলে পরিবর্তনে আমাদের লাভ কি হল?’
বারাসতের বিজেপি বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘নিকাশি ব্যবস্থার হাল ফেরাতে কাজ চলছে। একাধিক নিকাশি নালা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তাই ড্রেনের মাটি তোলা হচ্ছে। ভাঙা ড্রেন মেরামত হচ্ছে। একমাসের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে।’ নিজস্ব চিত্র