Bartaman Logo
৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

একবালপুরে ব্যবসায়ীর মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে টাকা-গয়না লুট

একবালপুরে ব্যবসায়ীর মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে নগদ টাকা, সোনার আংটি, এটিএম কার্ড সহ বিভিন্ন সামগ্রী লুটের অভিযোগ উঠেছে।

একবালপুরে ব্যবসায়ীর মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে টাকা-গয়না লুট
  • ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একবালপুরে ব্যবসায়ীর মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে নগদ টাকা, সোনার আংটি, এটিএম কার্ড সহ বিভিন্ন সামগ্রী লুটের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার গভীর রাতে এই দুঃসাহসিক লুটের ঘটনাটি ঘটেছে একবালপুর থানা এলাকার ওয়ারশি লেনে। দুষ্কৃতীদের দাবি মতো টাকা না দেওয়ায় রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ওই ব্যবসায়ীকে ঘিরে ধরে লুটপাট চালায় তারা। অভিযুক্তরা পলাতক।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একবালপুরের মৌলানা মহম্মদ আলি রোডের বাসিন্দা শেখ সালাউদ্দিনের জামাকাপড় সহ বিভিন্ন সামগ্রীর ব্যবসা রয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁর কাছ থেকে মোটা টাকা দাবি করছিল আসিফ সমীর সহ বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী। ফোন করে তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলেও অভিযোগ। কিন্তু তিনি বিষয়টিকে পাত্তা দেননি। শুক্রবার রাত ১২টা নাগাদ হেঁটে বাড়ি ফেরার সময় তাঁর রাস্তা আটকে দাঁড়ায় আসিফ। তার সঙ্গে ছিল আরও দুই দুষ্কৃতী। অভিযোগ, ব্যবসায়ীকে মারধর করে অভিযুক্তরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভিকি নামের আরেক দুষ্কৃতীর নেতৃত্বে আরও সাত-আটজন হাজির হয় ঘটনাস্থলে। এরপর আসিফ আগ্নেয়াস্ত্র বের করে সালাউদ্দিনের মাথায় ধরে। তাঁকে খুন করার হুমকি দেয়। বন্দুকের বাট দিয়ে মাথায়, ঘাড়ে আঘাত করে তারা। এরপর দুষ্কৃতীরা তাঁর সোনার আংটি, রুপোর চেন, নগদ পাঁচ হাজার টাকা ও মোবাইল লুট করে বলে অভিযোগ। তার মানিব্যাগে থাকা এটিএম কার্ড, প্যান ও আধার কার্ড নিয়ে নেয়। ব্যবসায়ী ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিৎকার করলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা এসে ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে। তাঁদের নিয়ে একবালপুর থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান সালাউদ্দিন। তার ভিত্তিতে পুলিশ লুট ও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে ভয় দেখানো, মারধর সহ একাধিক ধারায় কেস রুজু করে।
তদন্তে নেমে পুলিশ জেনেছে, অভিযুক্ত ও অভিযোগকারী একই এলাকার বাসিন্দা। অনেকদিন ধরেই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে তোলা চাইছিল তারা। কিন্তু তা না দেওয়ায় তাঁর উপর এই আক্রমণ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ডাকাতি, আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে ভয় দেখানো সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে একবালপুর থানায়। তাদের খোঁজ চলছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ