Bartaman Logo
১৩ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

এমএসএমই শিল্পক্ষেত্রকেও আর্থিক সহায়তা দেবে রাজ্য, ঘোষণা মন্ত্রীর

ক্ষুদ্র, ছোটো ও মাঝারি শিল্প বা এমএসএমই সেক্টরেও শিল্প সংস্থাগুলিকে আর্থিক সহায়তা বা ইনসেন্টিভ দেবে রাজ্য সরকার।

এমএসএমই শিল্পক্ষেত্রকেও আর্থিক সহায়তা দেবে রাজ্য, ঘোষণা মন্ত্রীর
  • ১৩ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ক্ষুদ্র, ছোটো ও মাঝারি শিল্প বা এমএসএমই সেক্টরেও শিল্প সংস্থাগুলিকে আর্থিক সহায়তা বা ইনসেন্টিভ দেবে রাজ্য সরকার। বড়ো শিল্পকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য যে নীতি আসছে, তার সঙ্গে ছোটো শিল্পও যুক্ত হবে। এমনটাই জানালেন বিভাগীয় মন্ত্রী দীপক বর্মন। তিনি বলেন, বড়ো বিনিয়োগ ও ছোটো বিনিয়োগের মধ্যে সেভাবে আলাদা করে দেখা হবে না। আগামী মাসখানেকের মধ্যেই এই নীতি আসবে বলে জানান তিনি। 

Advertisement

বুধবার দীপকবাবু বলেন, তাঁরা নতুন শিল্পতালুক গড়ার পাশাপাশি পুরানো তালুকগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নের উপর জোর দেবেন। তবে নতুন পার্কগুলি কোথায় হবে, সেই ব্যাপারে এখনো জমি চিহ্নিত হয়নি বলেই জানিয়েছেন তিনি। বলেন, নতুন সরকার সবে এসেছে। এখনই রাতারাতি সব বদলে যাবে, তা হতে পারে না। যে বাজেট ঘোষিত হয়েছে, তাও পূর্ণাঙ্গ নয়। ফলে ধাপে ধাপে সবদিকেই জোর দেওয়া হবে। 
এদিন মন্ত্রী বলেন, বাংলার হস্তশিল্পের নাম আছে সর্বত্র। তবে পশ্চিমবঙ্গের ছোটোশিল্প মানেই হস্তশিল্প, এই ধারণার বাইরে গিয়ে সবধরনের পণ্যকেই তুলে ধরা হবে। জিয়োগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন বা জিআই-প্রাপ্ত পণ্যগুলির ব্র্যান্ডিং করবে রাজ্য, জানিয়েছেন দীপকবাবু। মন্ত্রী বলেন, দেশীয় বাজারের পাশাপাশি বিদেশেও যাতে এই পণ্য রপ্তানি করা যায়, তার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পূর্বতন জমানায় জেলায় জেলায় যে শপিং মল তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, সেগুলিকে কী করা যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা রয়েছে সরকারের, জানিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, আগের সরকার ‘কর্মতীর্থ’ নামে বেশকিছু বাজার চালুর উদ্যোগ নিয়েছিল। পণ্যের চাহিদা কোথায় কেমন আছে, সেই ভাবনাচিন্তা না-করেই চালু করা হয় কর্মতীর্থ। তার কোনোটিতেই উদ্দেশ্য সাধিত হয়নি। সেগুলিকে কী করে বাজারমুখী করা যায়, তা নিয়েও ভাবনাচিন্তা চলছে বলে জানিয়েছেন দীপক বর্মন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ