কেন্দ্রের গাফিলতি ও প্রকৃতির  রোষের জাঁতাকলে রাজ্য: মানস
  • ১৪ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: রাজ্যের একাধিক জেলায় লাগাতার বৃষ্টির ফলে বন্যাপরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলি—বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরে অবস্থা খানিকটা উদ্বেগজনক। এই পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রকে দুষলেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়া। রবিবার সোনারপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় এক রক্তদান ও স্বাস্থ্য শিবিরে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রের উদাসীনতার কারণেই এমনটা হয়েছে। প্রকৃতির তাণ্ডব এবং কেন্দ্রের ভুল নীতির ফলে রাজ্য কার্যত স্যান্ডউইচে পরিণত হয়েছে। তবে প্রতিকূলতার মধ্যেও তৈরি আছে রাজ্য প্রশাসন।’ দুর্গত মানুষের জন্য সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন মন্ত্রী। তাঁর দাবি, ‘আধিকারিকরা বন্যাকবলিত এলাকাগুলিতে নেমে পড়েছেন। উদ্ধারকাজ, ত্রাণ বিলি, আশ্রয় শিবির খোলা—সবকিছুই চলছে দ্রুত গতিতে।’ তবে এইসময়ে যাতে কেউ রাজনীতি না-করে সেই আবেদন করেছেন মানসবাবু। তাঁর বক্তব্য, ‘এই সঙ্কটের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই কর্তব্য, কেন্দ্রীয় সরকার তাতে ব্যর্থ হয়েছে।’

Advertisement

এদিকে, এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সোনারপুর স্টেশন থেকে রাজপুর যাওয়ার রাস্তা আটকে মঞ্চ খাটিয়ে স্বাস্থ্যশিবির করার অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা কংগ্রেস কমিটির সভাপতি জয়ন্ত দাস বলেন, ‘সোনারপুরে অনেক মাঠ এবং হল রয়েছে। এমন শিবির সেখানে না-করে রাস্তা আটকে করা হল কেন? এতে হয়রানির শিকার হয়েছেন সাধারণ মানুষ।’ যদিও অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়ক লাভলি মৈত্র বলেন, ‘কারও কোনও অসুবিধে হয়নি। বিকল্প রাস্তা বলে দেওয়া হয়েছিল। এই শিবির থেকে অনেক মানুষ  উপকার পেয়েছেন। আসলে কুৎসা ছড়াতেই বিরোধীরা এমন অভিযোগ করছেন।’