Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

জিডিপি বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রের পূর্বাভাস মানল না স্টেট ব্যাঙ্ক, দেখাল না আশার আলোও

যুদ্ধকে কেন্দ্র করে গোটা বিশ্বের অর্থনীতি অস্থির। এর সঙ্গে দোসর হয়েছে আমেরিকার শুল্ক-যুদ্ধ। সব মিলিয়ে বিশ্বের তাবড় দেশগুলিতে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি আশানুরূপ হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

জিডিপি বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রের পূর্বাভাস মানল  না স্টেট ব্যাঙ্ক, দেখাল না আশার আলোও
  • ২২ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যুদ্ধকে কেন্দ্র করে গোটা বিশ্বের অর্থনীতি অস্থির। এর সঙ্গে দোসর হয়েছে আমেরিকার শুল্ক-যুদ্ধ। সব মিলিয়ে বিশ্বের তাবড় দেশগুলিতে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি আশানুরূপ হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া দাবি করল, ভারতের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো। কিন্তু তারপরও জিডিপি বৃদ্ধির হার নিয়ে বড় একটা আশার আলো দেখাতে পারল না এই ব্যাঙ্ক। তাদের একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের শেষ তিন মাস, অর্থাৎ গত জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার দাঁড়াতে পারে ৬.৪ থেকে ৬.৫ শতাংশ। গত অর্থবর্ষের চারটি ত্রৈমাসিকের এক সঙ্গে হিসেব কষলে এক বছরে জিডিপি বৃদ্ধি পেতে পারে ৬.৩ শতাংশ হারে। অর্থাৎ আর্থিক বৃদ্ধি নিয়ে এসবিআই যে আশা প্রকাশ করেছে, তা কেন্দ্রীয় সরকারের নিজস্ব অনুমান থেকে কিছুটা দূরে। কারণ, কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান মন্ত্রক আ঩গেই জানিয়েছিল, গত মার্চ শেষে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের জিডিপি বৃদ্ধির হার পৌঁছতে পারে ৬.৫ শতাংশে। ওই অর্থবর্ষের শেষ তিন মাসের জিডিপি বৃদ্ধির হার হতে পারে ৭.৬ শতাংশ। প্রসঙ্গত, চলতি অর্থবর্ষ, অর্থাৎ ২০২৫-২৬ সালে দেশের জিডিপি গত অর্থবর্ষের মতোই ৬.৩ শতাংশ হারে বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। 

Advertisement

দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হারের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেয় সরকারের মূলধনী খাতে খরচের বহর। এই খরচের মাধ্যমে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারগুলি মূলত পরিকাঠামো তৈরি করে থাকে। এসবিআই দাবি করেছে, বেশ কিছু রাজ্য গত বছর বাজেটে মূলধনী খাতে ব্যয়ের জন্য যে বরাদ্দ রেখেছিল, তার অনেকটাই খরচ হয়নি। যেমন, বাজেটের ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ খরচ করতে পেরেছে ছত্তিশগড়, হরিয়ানা, বিহার, হিমাচলপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, কেরল, উত্তরপ্রদেশ প্রভৃতি রাজ্য। অর্থাৎ এখানে বাজেট বরাদ্দের অনেকটাই কম খরচ হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশ বা পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যেও সেই হার আরও কম। এমনই দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। পাশাপাশি এসবিআই দাবি করেছে, মূল্যবৃদ্ধির হার কিছুটা নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে কেনাকাটার প্রবণতা বেড়েছে। পাশাপাশি এবার দেশে যথাসময়ে বর্ষা আসবে এবং ভালো ফলন হবে বলেও আশা। এগুলি দেশীয় অর্থনীতিতে সদর্থক ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে রিপোর্টে।     

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ