


ফলপ্রকাশের আগে পরীক্ষার্থীরা সাধারণত উদ্বিগ্ন থাকেন। ফলাফল অনুকূলে না প্রতিকূলে, তা নিয়ে বিস্তর চর্চা। ফলে টেনশন বাড়তে থাকে তরতরিয়ে। তবে ভালো পড়ুয়ারা বরাবরই এই তালিকা থেকে বাইরে। কারণ তাঁরা আত্মবিশ্বাসী ভালো ফল নিয়ে। ঠিক যেমন তৃণমূলের তারকা প্রার্থীরা। বিনোদন জগতে পারফর্ম করার পাশাপাশি তাঁরা বছরভর মানুষের পাশে থেকেছেন। বিধায়ক বা জনপ্রতিনিধি হিসাবে একাধিক কাজের কৃতিত্ব তাঁদের প্রাপ্য। তাই এবারের বিধানসভা নির্বাচন তাঁদের কাছে কঠিন পরীক্ষা নয়। বরং জয় নিয়ে তাঁরা আত্মবিশ্বাসী।
পরিচালক রাজ চক্রবর্তী বিধায়ক হওয়ার পরীক্ষায় দ্বিতীয়বারের পরীক্ষার্থী। তাঁর দাবি, তিনি সারা বছর ‘পড়াশোনা’ করেন। তাই জয় নিয়ে নিশ্চিত। রাজের কথায়, ‘ভোটের প্রচারে মানুষের বিপুল ভালোবাসা আর আশীর্বাদ পেয়েছি। ফলে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত। মানুষ কাজ বোঝেন, আর সেই প্রেক্ষিতেই আমি এতটা নিশ্চিত।’ কেবল নিজের ব্যাপারেই নয়, রাজ নিশ্চিত গোটা বাংলার বিষয়েই।
ঠিক একই ভাবনা অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীরও। তিনিও নিশ্চিত আজ সোমবার গোটা বাংলাজুড়ে সবুজ আবির উড়বে। সোহম বলছিলেন, ‘চিন্তা তো একটু-আধটু হয়ই। তবে মানুষের যে উচ্ছ্বাস প্রচারে বেরিয়ে দেখেছি, তাতে জয় নিয়ে আলাদা করে উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করি না।’ সিনেমা রিলিজ নাকি ভোটের ফল— কোন দিনের সকাল বেশি চিন্তায় কাটে? হেসে সোহমের জবাব, ‘অবশ্যই ভোটের ফল। কারণ এক্ষেত্রে দায়িত্বটা অনেক বেশি।’
এদিকে, গীতার শ্লোক সর্বদা মাথায় রাখেন সংগীতশিল্পী অদিতি মুন্সি। তাঁর কথায়, ‘আমি কাজে বিশ্বাসী। ফল নিয়ে চিন্তা করার ভাবনা আমার থাকে না। মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা পেয়েছি, এটাই বড়ো পাওনা।’
অভিনেত্রী লাভলি মৈত্রও জানেন নিশ্চিত জয় আসবেই। তাঁর কথায়, ‘আজ জোড়াফুলের পতাকাই উড়বে। জয় নিয়ে আমি আশাবাদী।’ প্রথমবার বিধায়ক হওয়ার পরীক্ষা দেওয়া শ্রেয়া পান্ডে বললেন, ‘মানিকতলার মানুষ আমাকে সারাবছর দেখতে পান। এমন কোনো অলিগলি নেই, যা আমি ঘুরিনি। কেবল প্রচারের সময়ই নয়, তার আগে থেকেই জনসংযোগে জোর দিয়েছি। ফলে জয় নিয়ে হাজার শতাংশ নিশ্চিত।’ সবুজ আবির খেলা আর বিরিয়ানি— আজ এভাবেই উদযাপনের পরিকল্পনা করেছেন শ্রেয়া।
আরাত্রিকা চক্রবর্তী ও শান্তনু দত্ত