সংবাদদাতা, বারুইপুর: রাস্তা আর রাস্তা নেই। দোকানদারদের দখলে চলে গিয়েছে। সেখানে যে যার মত দোকান, স্টল বসিয়ে দিচ্ছে। মানুষের হেঁটে যাওয়ার জায়গাটুকু নেই। এর পাশাপাশি বেড়ে চলছে বেআইনি পার্কিং। সব মিলিয়ে এলাকার বাসিন্দারা বেজায় ক্ষুব্ধ। অভিযোগ, সব জেনেশুনেও হেলদোল নেই পুলিশ প্রশাসনের। এই ব্যাপারে বারুইপুর পুলিশ জেলার এক আধিকারিক বলেন, দেখছি সমস্যাটি। আর বারুইপুর পুরসভার চেয়ারম্যান শক্তি রায়চৌধুরী বলেন, বারংবার পুলিশকে এই বিষয়ে বলা হয়েছে।
বারুইপুরের উমাচরণ রায় রোড। এই রাস্তা ধরেই বারুইপুর স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে যাওয়া যায়। একে সরু রাস্তা। তার উপর রাস্তার দু’পাশে দোকানের সারি। এরপরেও রাস্তা দখল করে যে যার মত স্টল বসিয়ে দিচ্ছে। জায়গা একটু ফাঁকা থাকলেই সেখানে দোকান হয়ে যাচ্ছে। নিয়মের কোনো বালাই নেই। নেই নজরদারিও। রাস্তাটি দিয়ে পথচারীদের যাতায়াত করাই দুষ্কর হয়ে উঠেছে দিনের পর দিন। রাস্তার উপরেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকে দোকানের জিনিসপত্র।
একই অবস্থা রেলগেট সংলগ্ন বারুইপুর কালীতলা মোড় থেকে স্টেশনে যাওয়ার রাস্তা। এখানেও ফুটপাতের উপরে স্টল, দোকান গজিয়ে উঠেছে। রাস্তার দু’পাশ জুড়ে দাঁড়িয়ে থাকে বাইক, স্কুটি, টোটো, অটো থেকে সাইকেল। এর মধ্যেও যে যার মত ভ্যানগাড়িতে খাবারের, জিনিসপত্র বিক্রির স্টল করে রাস্তা দখল করে দাঁড়িয়ে পড়ছে। দোকানে মানুষ ঢোকার জায়গা নেই। কারণ সামনে বাইক, অটো, টোটো দাঁড়ানো।
বাসিন্দা, ব্যবসায়ীরা তিতিবিরক্ত এই সমস্যা নিয়ে। তাঁরা বলেন, এই সমস্যা নিয়ে বারুইপুরের পুলিশ প্রশাসন স্রেফ দর্শক। তাঁরা হাত গুটিয়ে বসে আছে। বেআইনি পার্কিংয়ের জন্য যানজট হলে কোনো ট্রাফিক পুলিশ দেখা যায় না। এই রাস্তা ধরে কোনো অ্যাম্বুলেন্সও যেতে পারে না। সকালে অফিস টাইমে ও সন্ধ্যার পরে রাস্তার অবস্থা শোচনীয় হয়। এক বাসিন্দা সন্দীপ বসু বলেন, রাস্তাতে যে যাঁর মত ভ্যানে খাবারের স্টল নিয়ে বসে যাচ্ছেন। এই রাস্তা দিয়ে গিয়ে সঠিক সময়ে কেউ ট্রেন ধরতে পারেন না। কেন বারংবার বলার পরেও কিছু হচ্ছে না, সেটা পুলিশই বলতে পারবে। নিজস্ব চিত্র