Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সাত পাকে বাঁধা পড়ার আগেই ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী যুবতী

সাত পাকে বাঁধা পড়ার আগেই ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী যুবতী
  • ৬ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: বিয়ের এক মাস আগে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী এক যুবতী। তবে কী কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নিল যুবতী? পরিবার ও স্থানীয়রা তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার রাত আটটা নাগাদ হরিশ্চন্দ্রপুরের তুলসীহাটায়। 
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবতীর নাম প্রিয়ঙ্কা রাম(২০)। বাড়ি তুলসীহাটা হাইস্কুল পাড়ায়। স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রায় তিন মাস আগে তার আশীর্বাদ পর্ব হয়। ডিসেম্বরের ১০ তারিখে বিয়ের দিন ঠিক হয়েছিল। ইতিমধ্যে বিয়ের কেনাকাটা শুরু করেছিল পরিবার। তার মধ্যে ঘটে গেল এই ঘটনা। প্রিয়ঙ্কারা তিন বোন। সে ছিল বড়। বাড়িতে ছোট বাচ্চাদের টিউশন পড়াত এই যুবতী। বাবা উমাকান্ত রাম মিষ্টির দোকানে কাজ করেন। মা বাড়ি বাড়ি পরিচারিকার কাজ করেন। 
ঘটনার দিন বাড়িতে কেউ ছিলেন না। দুই বোন কস্তুরীয়াতে কালীপুজোর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুনতে গিয়েছিলেন। সেই সময় বাড়ি ছিল ফাঁকা। সেই সুযোগে শোয়ার ঘরে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মঘাতী হয় প্রিয়ঙ্কা। বাবা-মা এসে দেখেন মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসকরা চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে তাকে স্থানান্তর করেন। সেখানেই ওই যুবতীর মৃত্যু হয়। বাবা উমাকান্ত রাম বলেন, মেয়ে কেন এই সিদ্ধান্ত নিল, কিছুই বুঝতে পারছি না। মনে কোনও যন্ত্রণা থাকলে আমাদের জানাতে পারত।
এই ব্যাপারে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি মনোজিৎ সরকার বলেন, চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ওই যুবতীর মৃত্যু হয়েছে। চাঁচল থানার পুলিস দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে।  কী কারণে যুবতী আত্মঘাতী হল, পুলিস সেটা তদন্ত করছে।
সম্পর্কিত সংবাদ