বিষ্ণুপদ বর্মন, হলদিবাড়ি: স্বামী পেটের টানে ভিনরাজ্যে। সংসার চালানোর যাবতীয় দায় স্ত্রীর কাঁধে। সব দায়দায়িত্ব পালন করতে করতে একসময় আঁকড়ে ধরে একঘেয়েমি, একাকীত্ব। সেই সঙ্গে যোগ হয় আর্থিক টানাপোড়েনের গ্লানি। বাস্তবকে বাইপাস করতে ভরসা হয়ে ওঠে স্মার্টফোন। আরও ভালোভাবে বললে সোশ্যাল মিডিয়া। সেখানেই পূর্ব পরিচিত বা অপরিচিতদের সঙ্গে আলাপ। কিছু ক্ষেত্রে তা গড়ায় গভীর বন্ধুত্বে। মনের কথা বলার একজন সঙ্গী পাওয়া, আরও স্বচ্ছল জীবনের স্বপ্ন দেখতে দেখতে ‘পা পিছলে যেতে’ খুব একটা সময় লাগে না। নয়া জীবনের রঙিন স্বপ্ন ভরা চোখে তখন স্বামী, সংসার, সন্তান হয়ে যায় গৌণ। এভাবেই ভেঙে যাচ্ছে সংসার। সব পিছুটান ছেড়ে নতুন কারও হাত ধরে অজানা জীবনের পথে বেড়িয়ে পড়ছেন অনেক গৃহবধূ।
Advertisement
জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ রূপা বিশ্বাসের কথায়, অনেক পরিবারেই মেয়েকে তার নিজের পছন্দমতো ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয় না। ফলে দাম্পত্য জীবনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি হয়। অনেকে তাঁর আগের প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যান। অবার অনেকে একাকীত্ব কাটাতে গিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কারও প্রেমের ফাঁদে পড়ে ঘর ছাড়েন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাঁরা প্রতারণার শিকার হন। এনিয়ে গ্রামাঞ্চলে সচেতনতা প্রচার করা উচিত।
পরিসংখ্যান বলছে, গত এক বছরে শুধু হলদিবাড়ি থানাতেই এভাবে বধূ নিখোঁজের অন্তত ১৮টি অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগ হয়নি হয়তো আরও বেশি। এভাবে সামাজিক অবক্ষয়ের কারণে চিন্তায় হলদিবাড়ির মতো এলাকার জনপ্রতিনিধি থেকে প্রশাসনের কর্তারা।
বেশিরভাগ ঘটনার তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে, এভাবে নিখোঁজ মহিলাদের অধিকাংশের স্বামী ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। একাকীত্ব কাটাতে স্মার্ট ফোনে সোশ্যাল মিডিয়ায় মগ্ন হয়ে পড়ছেন তাঁরা। ধীরে ধীরে অনেকেই সেখানে নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছেন। কেউকেউ আবার সেই পুরুষদের প্রেমের ফাঁদে পা দিয়ে স্বামী ও সন্তান ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলছেন। কিছু কিছু গৃহবধূ সেই প্রেমিকের কাছে প্রতারিত হয়ে ফের স্বামীর ঘরে ফিরেও আসেন। আবার কাউকে দূরে কোথাও নিয়ে গিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে নিষিদ্ধপল্লিতে বিক্রিও করে দেওয়ার নজিরও রয়েছে।
হলদিবাড়ি থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, গত এক বছরে এই ব্লকেই ১৮ জন গৃহবধূ নিখোঁজের ডায়েরি জমা পড়েছে। তাঁদের মধ্যে ১১ জন বধূকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকিদের খোঁজ এখনও চলছে। এবিষয়ে হেমকুমারী গ্ৰাম পঞ্চায়েতের সদস্য ভবতোষ রায় বলেন, পরিবারের পুরুষরা রুজির টানে ভিনরাজ্যে পাড়ি জমান। সেই সময় অনেক বধূই সোশ্যাল মিডিয়ায় মগ্ন হয়ে পড়ছেন। অনেক ক্ষেত্রে এঁরা প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েও যাচ্ছেন। এর প্রভাব পরবর্তী প্রজন্মের ছেলেমেয়ের উপর পড়ছে। আমরা চাই প্রশাসনের তরফে এনিয়ে সচেতনতা প্রচার করা উচিত।
পরিসংখ্যান বলছে, গত এক বছরে শুধু হলদিবাড়ি থানাতেই এভাবে বধূ নিখোঁজের অন্তত ১৮টি অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগ হয়নি হয়তো আরও বেশি। এভাবে সামাজিক অবক্ষয়ের কারণে চিন্তায় হলদিবাড়ির মতো এলাকার জনপ্রতিনিধি থেকে প্রশাসনের কর্তারা।
বেশিরভাগ ঘটনার তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে, এভাবে নিখোঁজ মহিলাদের অধিকাংশের স্বামী ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। একাকীত্ব কাটাতে স্মার্ট ফোনে সোশ্যাল মিডিয়ায় মগ্ন হয়ে পড়ছেন তাঁরা। ধীরে ধীরে অনেকেই সেখানে নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছেন। কেউকেউ আবার সেই পুরুষদের প্রেমের ফাঁদে পা দিয়ে স্বামী ও সন্তান ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলছেন। কিছু কিছু গৃহবধূ সেই প্রেমিকের কাছে প্রতারিত হয়ে ফের স্বামীর ঘরে ফিরেও আসেন। আবার কাউকে দূরে কোথাও নিয়ে গিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে নিষিদ্ধপল্লিতে বিক্রিও করে দেওয়ার নজিরও রয়েছে।
হলদিবাড়ি থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, গত এক বছরে এই ব্লকেই ১৮ জন গৃহবধূ নিখোঁজের ডায়েরি জমা পড়েছে। তাঁদের মধ্যে ১১ জন বধূকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকিদের খোঁজ এখনও চলছে। এবিষয়ে হেমকুমারী গ্ৰাম পঞ্চায়েতের সদস্য ভবতোষ রায় বলেন, পরিবারের পুরুষরা রুজির টানে ভিনরাজ্যে পাড়ি জমান। সেই সময় অনেক বধূই সোশ্যাল মিডিয়ায় মগ্ন হয়ে পড়ছেন। অনেক ক্ষেত্রে এঁরা প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েও যাচ্ছেন। এর প্রভাব পরবর্তী প্রজন্মের ছেলেমেয়ের উপর পড়ছে। আমরা চাই প্রশাসনের তরফে এনিয়ে সচেতনতা প্রচার করা উচিত।



