সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: আজ, রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে ময়নাগুড়ির জল্পেশে শ্রাবণী মেলা। এই মেলাকে কেন্দ্র করে শনিবার দুপুরে ময়নাগুড়ি থানায় এসে পৌঁছল ১০টি ইলেকট্রিক সাইকেল। সেগুলি দিয়েই চলবে পুলিসের টহলদারি।
সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: আজ, রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে ময়নাগুড়ির জল্পেশে শ্রাবণী মেলা। এই মেলাকে কেন্দ্র করে শনিবার দুপুরে ময়নাগুড়ি থানায় এসে পৌঁছল ১০টি ইলেকট্রিক সাইকেল। সেগুলি দিয়েই চলবে পুলিসের টহলদারি।
শ্রাবণী মেলাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিং ও কালিম্পং সহ বিভিন্ন থানা থেকে প্রচুর ফোর্স চলে এসেছে ময়নাগুড়িতে। তৈরি হয়ে গিয়েছে ড্রপগেট। থাকছে পুলিসের দু’টি কন্ট্রোল রুম। একটি মেলার ভিতর, অন্যটি মন্দিরের সামনে। সেখান থেকে সিসি ক্যামেরায় চলবে মনিটরিং। বিভিন্ন স্থানে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও থাকছে।
প্রতিবছর শ্রাবণী মেলায় কয়েক লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হয়। উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ ছাড়াও অসম, নেপাল, ভুটান থেকে প্রচুর ভক্ত আসেন। পুণ্যার্থীরা রবিবার এসে সারা রাত থেকে সোমবার শিবের মাথায় জল ঢেলে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।
এবার শ্রাবণী মেলায় প্রবেশের জন্য দু’টি পথ করা হয়েছে। তিস্তা নদী থেকে জল নিয়ে যাঁরা আসবেন, তাঁরা ফুটব্রিজ হয়ে শিব পার্বতী গেট দিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন। আর যাঁরা জটিলেশ্বরের মন্দিরের দিক দিয়ে আসবেন, তাঁরা হাতিগেট দিয়ে স্কাইওয়াক হয়ে প্রবেশ করবেন। সে কারণে মেলার মাঠ এবং জল্পেশ মন্দিরে আসার রাস্তায় থাকছে টিকিট কাউন্টার।
ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ বলেন, শ্রাবণী মেলায় প্রচুর ভিড় হয়। বেশকিছু স্থানে গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করা যায় না। সেজন্যই সাইকেল নিয়ে আসা। সমস্যা হলে অতি সহজে ভিড়ের মধ্যেও সাইকেল নিয়ে প্রবেশ করা যাবে। জল্পেশ মন্দির কমিটির সম্পাদক গিরীন্দ্রনাথ দেব বলেন, আমাদের দু’শো জন ভলান্টিয়ার থাকবেন। রয়েছে ৪৫টি সিসি ক্যামেরা।