Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রাজ্যের শিক্ষানীতির বিরোধী বার্তা ছড়ানোর অভিযোগ, মূল সংগঠন থেকে সম্পর্ক ছিন্ন

পেশাগত সমস্যা সমাধানের জন্য চার বছর আগে যুক্ত হলেও, নীতিগত  মতপার্থক্য থেকেই গিয়েছিল।

রাজ্যের শিক্ষানীতির বিরোধী বার্তা ছড়ানোর অভিযোগ, মূল সংগঠন থেকে সম্পর্ক ছিন্ন
  • ২৬ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: পেশাগত সমস্যা সমাধানের জন্য চার বছর আগে যুক্ত হলেও, নীতিগত  মতপার্থক্য থেকেই গিয়েছিল। তাই রাজ্যস্তরে প্রধান শিক্ষকদের সংগঠন অ্যাডভান্স সোসাইটি ফর হেডমাস্টার্স অ্যান্ড হেডমিস্ট্রেস (এএসএফএইচএম) সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করল জেলার প্রধান শিক্ষকদের সংগঠন উত্তর দিনাজপুর হেডমাস্টার্স ফোরাম। ফোরামের অভিযোগ, বেসরকারি এক সংস্থার প্রোডাক্ট ও সহায়ক বই ছাত্রদের মধ্যে বিক্রির ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছিল এএসএফএইচএম। উদ্দেশ্য ছিল যাতে সংগঠনটি আর্থিকভাবে উপকৃত হয়। সংগঠনের অফিস তৈরির টাকা জোগাড় করতেই ওই বেসরকারি সংস্থার বই বিক্রির জন্য সংগঠনটি উঠেপড়ে লেগেছিল। যার জন্য সংগঠনের সদস্য প্রধান শিক্ষক, শিক্ষিকাদের এ ব্যাপারে চাপ সৃষ্টি করা হতো। এছাড়াও পেশাগত সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে গঠিত সংগঠনটি রাজ্য সরকারের শিক্ষানীতির বিরোধিতা করছে। এরকম একাধিক কারণে রাজ্যস্তরে প্রধান শিক্ষকদের সংগঠন এএসএফএইচএম এর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করল জেলার প্রধান শিক্ষকদের সংগঠন, উত্তর দিনাজপুর হেডমাস্টার্স ফোরাম। রবিবার ফোরামের সদস্যরা তাঁদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। সংগঠনটির সম্পাদক অজয় কুমার রায় বলেন, ২০১২ সাল থেকে আমরা ফোরামের ছত্রছায়ায় সংগঠিত রয়েছি। এটি অরাজনৈতিক সংগঠন। যেটি মূলত পেশাগত সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে, শিক্ষা প্রসারের উদ্দেশ্য নিয়ে চলেছে। মাঝে আমরা ২০২১ সালে রাজ্যস্তরের প্রধান শিক্ষকদের সংগঠন এএসএফএইচএম এর সঙ্গে যুক্ত হই। কিন্তু মতপার্থক্য থেকেই গিয়েছে। কারণ পেশাগত সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্য নিয়ে চলা এএসএফএইচএম সরকার বিরোধী বার্তা ছড়ায়। সেটা আমরা মেনে নিতে পারিনি। সেইসঙ্গে বেসরকারি সংস্থার একটি প্রোডাক্টকে যাতে পড়ুয়াদের সামনে তুলে ধরি, সে ব্যাপারে চাপ সৃষ্টি করা হতো। যার জন্যই রাজ্যস্তরের সংগঠনটির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা।

Advertisement

যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এএসএফএইচএম এর রাজ্য সাধারণ সম্পাদক চন্দন মাইতি। বলেছেন, অজয় যতদিন সংগঠনে ছিলেন, সেইসময়ের কোনও আর্থিক হিসেব না বুঝিয়ে আচমকা সংগঠন ছেড়ে দিলেন।  তিনি জেলার দায়িত্বে ছিলেন, কোনও দিন  ইসলামপুরে যেতেন না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ