নয়াদিল্লি: ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ ঘিরে সরগরম জাতীয় রাজনীতি। ইতিমধ্যে মোদি সরকারের ইস্তফার দাবি জানিয়েছে বিরোধী ইন্ডিয়া জোট। রীতিমতো তথ্যপ্রমাণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছে যে, নির্বাচন কমিশনের সাহায্যে ২০২৪ সালের ভোটার তালিকায় ব্যাপক কারচুপি করেছে বিজেপি। বিরোধীদের একযোগে আক্রমণের মধ্যে দৃশ্যতই কোণঠাসা গেরুয়া শিবির। এই পরিস্থিতিতে বুধবার ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক দাবি তুলল নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহের দল। আর তাদের নিশানায় সোনিয়া গান্ধী ও কংগ্রেস। ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার অনেক আগে সোনিয়ার নাম ভোটার তালিকায় তোলা হয়েছিল বলে দাবি বিজেপির।
এদিন পদ্ম পার্টির হয়ে আসরে নামানো হয়েছিল প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা সাংসদ অনুরাগ ঠাকুরকে। এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেন, ১৯৮০ সালে ভোটার তালিকায় সোনিয়ার নাম তোলা হয়েছিল। অথচ এর তিন বছর পরে তিনি ভারতের নাগরিকত্ব পান।
অনুরাগ ঠাকুরের কথারই প্রতিধ্বনি শোনা যায় বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালভ্যর কথায়। ১৯৮০ সালের নয়াদিল্লি কেন্দ্রের ভোটার তালিকার একটি ফোটোকপি এক্স-এ পোস্ট করেন তিনি। সফদরজং রোডের ১৪৫ নম্বর ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী, সঞ্জয় গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী ও মানেকা গান্ধীর নাম ছিল। এই ছবি দেখিয়ে অমিত মালভ্য দাবি করেন, যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে তখনও সোনিয়া গান্ধী ইতালির নাগরিক ছিলেন। এর রেশ ধরে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান বলেন, ‘ভারতের ভোটার তালিকার সাথে সোনিয়া গান্ধীর যোগাযোগ নির্বাচনী আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘনের একটি দৃষ্টান্ত। এই কারণেই সম্ভবত অযোগ্য ও অবৈধ ভোটারদের বৈধ করার জন্য রাহুল গান্ধীর এতো আগ্রহ। পাশাপাশি এসআইআরের বিরোধিতারও এটাই হয়ত কারণ।’