নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: হাতে আর মাত্র মাস দুয়েক সময়। তারপরই এসে পড়বে ২০২৬-এর গঙ্গাসাগর মেলা। প্রতি বছরের মতো এবারও সাগরের সৈকত পুণ্যার্থীদের জন্য প্রস্তুত করা নিয়ে বাড়তি মাথা ঘামাতে হচ্ছে প্রশাসনকে। কারণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে সমুদ্রের পাড় ভেঙে যায়। আবার নতুন করে গড়ে তুলতে হয় সেই অংশ। সেই কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে এবার চাষের জমি কিংবা পুকুর কেটে মাটি এনে বিচে ফেলা হবে না। নয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বড় বড় খাল, ড্রেন ইত্যাদি জায়গা থেকে মাটি তুলে এনে এখানে ফেলার কাজ শুরু করেছে সেচদপ্তর। ডিসেম্বরের মধ্যেই যাতে সমুদ্রতট সংস্কার সেরে ফেলা যায়, সেই লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে তারা। আপাতত খাল-বিল থেকে মাটি আনা হবে। পরে ড্রেজিং শুরু হওয়ার পর পলি নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা। কাজ শুরু হতেই একদফা পরিদর্শন করে এসেছেন তিনি।
এদিকে, গঙ্গাসাগরের ৫ নম্বর বিচের রাস্তার কাছে একটি অস্থায়ী বাসস্ট্যান্ড করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর জন্য জমি চিহ্নিত হয়ে গিয়েছে। যেহেতু এবারের মেলায় ৫ ও ৬ এবং ১ ও ১এ বিচে পুণ্যার্থীদের স্নানের ব্যবস্থা করা হবে, তাই ৫ নম্বরের দিকেই বাসগুলি নিয়ে যাওয়া হবে। ২-৪ নম্বর বিচে ভিড় আটকানোই প্রধান লক্ষ্য। কারণ, এখনও যা পরিস্থিতি, তাতে এবারের মেলাতেও এখানে নামতে পারবেন না তীর্থযাত্রীরা। মন্ত্রী বলেন, ‘পাঁচ নম্বরের দিকে আমরা জায়গা দেখে নিয়েছি। ওখানে বাস দাঁড়াবে। পুণ্যার্থীরা সেখানে ওঠা-নামা করতে পারবেন । এছাড়া, সেচদপ্তরের যাবতীয় কাজ ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।’



