সংবাদদাতা, করিমপুর: সচেতনতা বাড়ায় সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে সাপে কাটা রোগীর মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। এখন কাউকে সাপে কাটলে ওঝা বা গুনিনের কাছে নয়, পরিবারের লোকজন ছুটছেন হাসপাতালে। গত দু’ মাসে করিমপুর লাগোয়া এলাকার মাঠেঘাটে সাপের উপদ্রবের পাশাপাশি সাপে কাটার ঘটনাও বেড়েছে। কিন্তু মৃত্যু হয়নি। তার মূল কারণ, করিমপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের সচেতনতা। গত প্রায় পনেরো বছর ধরে করিমপুরের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্যরা গ্রামে গ্রামে গিয়ে সাপ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করেছেন। তাই সাপে কাটা রোগীরা এখন হাসপাতালমুখী হচ্ছেন। হাসপাতাল সুত্রে জানা গিয়েছে, গত মে ও জুন মাসে শুধুমাত্র করিমপুর গ্রামীণ হাসপাতালেই প্রায় একশো কুড়ি জন সাপে কাটা রোগী ভর্তি হয়েছেন এবং সকলেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। করিমপুরের এক শিক্ষক সুপ্রকাশ প্রামানিক বলেন, আগে কাউকে সাপে কাটলে তাকে ওঝার কাছে নিয়ে যাওয়া হতো। কিন্তু সাপে কাটা রোগীকে সঠিক সময়ে অ্যান্টি ভেনাম দিতে পারলেই তাকে বাঁচানো সম্ভব। তাই এমন রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। গত প্রায় পনেরো বছর ধরে এলাকার বিভিন্ন গ্রামে এবং স্কুলে শিবির করে এই কথাই সবাইকে বোঝানো হয়েছে। ফলে মানুষ এখন হাসপাতালমুখী হয়েছে এবং সাপে কাটা রোগীর মৃত্যু কমেছে। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার এক সদস্য গোলক বিশ্বাস বলেন, এখন বর্ষায় খালবিল, গর্তে জল জমতেই লোকালয়ে সাপের উপদ্রব বাড়বে। সাপে কাটা রোগীর সংখ্যাও বাড়বে।



