Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সীমান্তে পৌঁছনোর আগেই উদ্ধার ৪৮টি গোরু, ধৃত ২

সীমান্তে পৌঁছনোর আগেই উদ্ধার ৪৮টি গোরু, ধৃত ২
  • ১৫ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: কন্টেনারে গোরু বোঝাই করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। কিন্তু বৈধ কোনও নথি না থাকায় বৃহস্পতিবার সকালে সেই কন্টেনার আটক করে মেখলিগঞ্জ থানার পুলিস। উদ্ধার হয় ৪৮টি গোরু। পুলিস গোরুগুলি বাজেয়াপ্ত করে। সেইসঙ্গে গ্রেপ্তার করে দু’জনকে। 
Advertisement
সকালে চ্যাংরাবান্ধা-জামালদহ রাজ্য সড়ক থেকে গোরু বোঝাই ওই কন্টেনারটি আটক করা হয়। পুলিস দেখে প্রথমে কন্টেনারটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু বেশ কয়েক কিমি ধাওয়া করে সেটি ধরে ফেলে মেখলিগঞ্জ থানার পুলিস। ১৬-এ রাজ্য সড়ক ধরে পালানোর সময় জামালদহের কাছে ধরা পড়ে কন্টেনারটি। পুলিস জানিয়েছে, এই নিয়ে কোচবিহার জেলার নানা প্রান্ত থেকে এক মাসেরও কম সময়ে দুই শতাধিক গবাদি পশু উদ্ধার হল। গত ২৪ অক্টোবর মেখলিগঞ্জ থানা এলাকারই চ্যাংরাবান্ধা থেকে ৪৩টি গোরু উদ্ধার হয়েছে। তারআগে ১৮ অক্টোবর বক্সিরহাট থেকে ৩৯টি মহিষ আটক করে পুলিস। ২৬ অক্টোবর কোচবিহারের রেলঘুমটি থেকে ১৭টি গোরু, ২৭ অক্টোবর ঘোকসাডাঙার হিমঘর চৌপথি থেকে ৫২টি গোরু পুলিস আটক করে। একই দিনে মাথাভাঙার বেঙ্গলদই থেকে ২২টি গোরু উদ্ধার হয়। এছাড়াও গত ৩ নভেম্বর শীতলকুচি থেকে ছ’টি ও সিতাই থেকে সাতটি গবাদি পশু উদ্ধার হয়েছে। 
প্রাথমিক অনুসন্ধানের পর পুলিস জানতে পেরেছে, প্রতিটি ক্ষেত্রেই পাচারের উদ্দেশ্যে গবাদি পশুগুলি সীমান্তে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কোচবিহারের পুলিস সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য বলেন, জেলাজুড়ে কড়া পাহারা দেওয়া হচ্ছে। ফলে পাচারের আগেই বহু গোরু উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেপ্তারও করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে। 
বৃহস্পতিবারের ঘটনা প্রসঙ্গে মেখলিগঞ্জ থানার ওসি মণিভূষণ সরকার জানিয়েছেন, উত্তরাখণ্ডের নম্বরপ্লেট লাগানো একটি কন্টেনারে চাপিয়ে এদিন ৪৮টি গোরু বাংলাদেশ সীমান্তে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় গোরুগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। 
পুলিস সূত্রেই জানা গিয়েছে, শীতের শুরুতে কোচবিহার জেলাকে করিডর করে গোরু পাচার বেড়ে গিয়েছে। মূলত ভিনরাজ্য থেকে শিলিগুড়ি হয়ে কোচবিহারে গোরুগুলি পৌঁছচ্ছে। তারপর সুযোগ বুঝে সেগুলি পাচার করে দেওয়া হচ্ছে।
সম্পর্কিত সংবাদ