সংবাদদাতা তেহট্ট: আর কয়েকদিন পরই নতুন ইংরেজি বছর পড়বে। অথচ নভেম্বর অবধি পাঁচমাসের সাম্মানিক পাননি গ্রামীণ সম্পদকর্মীরা(ভিআরপি)। ডিসেম্বর পেরোলে তা ছ’মাস হবে। সাম্মানিক না পেলেও তাঁদের নির্দিষ্ট কাজ করতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তাঁরা সংসার চালাতে সমস্যায় পড়ছেন।
Advertisement
গ্রামীণ সম্পদকর্মীরা জানান, অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে তাঁদের মে ও জুন মাসের সাম্মানিক দেওয়া হয়েছিল। সেসময় আরও চারমাসের সাম্মানিক বাকি ছিল। নভেম্বর মাস পেরিয়ে ডিসেম্বর শেষ হতে চলেছে। ডিসেম্বর ধরলে তাঁদের ছ’মাসের সাম্মানিক বকেয়া রয়েছে। ফলে গ্রামীণ সম্পদকর্মীরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। মাসের প্রতিটি দিন তাঁরা কাজ করেন। এখন মাসে ১-১৫ তারিখ পর্যন্ত জেলার নির্দেশে বেশ কিছু কাজ তাঁদের সামলাতে হচ্ছে। রবিবারও ছুটি নেই। এর জন্য দৈনিক মজুরি মেলে ১৭৫ টাকা। সেই হিসেবে প্রতি মাসে তাঁরা ৫২৫০টাকা সাম্মানিক পান। কিন্তু ছ’মাসের সাম্মানিক তাঁরা এখনও পাননি। জেলার সমস্ত গ্রামীণ সম্পদকর্মীদের এমনই পরিস্থিতি।
পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের তরফে জেলা পরিষদের মাধ্যমে প্রতিটি ব্লকে ভিআরপিদের সাম্মানিকের টাকা দেওয়া হয়। পরে ব্লক প্রশাসন থেকে গ্রামীণ সম্পদকর্মীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়া হয়।
দীপঙ্কর বৈরাগ্য, গণেশ মণ্ডল সহ অন্য গ্রামীণ সম্পদকর্মীরা জানান, তাঁরা সংসার চালাতে বড় সমস্যায় পড়েছেন। পুজোর আগেও একইরকম সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তাড়াতাড়ি সাম্মানিকের টাকা মেটানো হোক-এমনটাই চাইছেন তাঁরা।
পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের তরফে জেলা পরিষদের মাধ্যমে প্রতিটি ব্লকে ভিআরপিদের সাম্মানিকের টাকা দেওয়া হয়। পরে ব্লক প্রশাসন থেকে গ্রামীণ সম্পদকর্মীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়া হয়।
দীপঙ্কর বৈরাগ্য, গণেশ মণ্ডল সহ অন্য গ্রামীণ সম্পদকর্মীরা জানান, তাঁরা সংসার চালাতে বড় সমস্যায় পড়েছেন। পুজোর আগেও একইরকম সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তাড়াতাড়ি সাম্মানিকের টাকা মেটানো হোক-এমনটাই চাইছেন তাঁরা।



