Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ধর্না ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের

বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের স্লোগানে সোমবার সকাল থেকে উত্তাল হয়ে উঠল পাথরপ্রতিমার রামগঙ্গা এলাকা। এদিন পাথরপ্রতিমা ব্লকের বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৪০০ জন ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী রামগঙ্গায় বনদপ্তরের অফিসের সামনে ধর্নায় বসেন।

বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ধর্না ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের
  • ২৯ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের স্লোগানে সোমবার সকাল থেকে উত্তাল হয়ে উঠল পাথরপ্রতিমার রামগঙ্গা এলাকা। এদিন পাথরপ্রতিমা ব্লকের বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৪০০ জন ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী রামগঙ্গায় বনদপ্তরের অফিসের সামনে ধর্নায় বসেন। তাঁরা বিভিন্ন দাবি তুলে স্লোগান দেন। তাঁদের সমস্যার কথা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন নেতৃত্ব। বেলা ১টা নাগাদ পুলিস প্রশাসনের মধ্যস্থতায় মৎস্যজীবীদের ১২ জনের এক প্রতিনিধিদল রেঞ্জ অফিসারের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁরা স্মারকলিপি দেন রেঞ্জারকে। বেলা ৩টে নাগাদ বিক্ষোভ উঠে যায়। এ বিষয়ে দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের সম্পাদক মিলন দাস বলেন, ‘ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীরা নদী, খাঁড়িতে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে গেলে বনদপ্তরের লোকজনের হাতে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সুন্দরবনের বেশ কিছু এলাকায় মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে। অথচ ওইসব এলাকায় অতীতে এই মৎস্যজীবীরা মাছ ধরতে যেতেন। ওইসব এলাকায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পাশাপাশি অত্যাচার বন্ধ করতে হবে। সমুদ্রে মাছ ধরার ক্ষেত্রে দু’মাস নিষেধাজ্ঞা জারি থাকে। ওই দু’মাস সব ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীকে পাঁচ হাজার টাকা করে সরকারি ভাতা দিতে হবে। সাত দফা দাবি উল্লেখ করে রেঞ্জারের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে।’ বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই স্মারকলিপি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ