সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: বাড়ি থেকে কিছুটা দূরেই সরু গলির মধ্যে এক ব্যক্তির রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে শনিবার সকালে রঘুনাথগঞ্জে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম নাসিম শেখ(৪০)। বাড়ি রঘুনাথগঞ্জের সম্মতিনগর গ্রামপঞ্চায়েতের আহমদপুর গ্রামে। শুক্রবার সন্ধ্যায় বেরনোর পর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর হদিশ পাননি। এদিন সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে গলির মধ্যে পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁরাই থানায় খবর দেন। পরিবারের লোকজনের দাবি, তাঁকে খুন করা হয়েছে। তাঁরা দোষীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
Advertisement
জঙ্গিপুরের এসডিপিও প্রবীর মণ্ডল বলেন, দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় চা খেতে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বের হন নাসিম সাহেব। রাতে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাঁর খোঁজ শুরু করেন। গভীর রাত পর্যন্ত তাঁর কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। মোবাইলে ফোন করলে বার দুয়েক ফোনের রিং হয়। তারপরই তা বন্ধ হয়ে যায়। এদিন সকালে গ্রামবাসীরা কয়েকটি পাকা বাড়ির পিছনে সংকীর্ণ গলিতে তাঁকে পড়ে থাকতে দেখেন। মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়েছিলেন। স্থানীয়দের কাছ থেকে মৃত্যুর খবর পেতেই পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। গ্রামবাসীরাই থানায় খবর দেন। পুলিস গিয়ে দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। তবে পুলিস মৃতের মোবাইলটি পায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মৃতের মুখে আঘাতের চিহ্ন ছিল। নাক মুখ দিয়ে রক্ত পড়েছে। গায়ের জামা ও মাটি রক্তে ভিজে গিয়েছিল। যেখানে মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে, অত্যন্ত সংকীর্ণ গলি রয়েছে। সেই গলি ঝোপঝাড়ে ভর্তি। এমনকী ওই গলি একটি স্থানে গিয়ে শেষ হয়েছে। ফলে ওই দিকে তেমন কেউ যাতায়াত করে না। সেই সরু গলির ভিতর থেকে দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ধন্দ তৈরি হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নাসিম সাহেব কয়েক বছর আগে গ্রাম ঘুরে ঘুরে হাঁড়ি, বাসন, কাপড় ও মশারি বিক্রি করতেন। সেই ব্যবসা ছেড়ে তিনি সম্প্রতি সুদে টাকা খাটাতে শুরু করেন। তবে টাকা পয়সা নিয়ে কোনওদিন কারও সঙ্গে ঝামেলা হয়নি বলে পরিবারের দাবি। জঙ্গিপুর ফাঁড়ির পুলিস এদিন সকালে আশপাশের সমস্ত গলি ও রাস্তা ঘুরে দেখে। আশপাশের এলাকা থেকে সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করেছে। মৃতের বৃদ্ধা মা আবেনুর বেওয়া চোখের জল মুছতে মুছতে বলেন, আমার ছেলে শুক্রবার থেকে বাড়ি আসেনি। মোবাইলে ফোন করে পাচ্ছিলাম না। তখনই সন্দেহ হয়েছিল, কিছু একটা অঘটন ঘটেছে। আমার ছেলে কারও কোনওদিন ক্ষতি করেনি। তাও কেন ওকে খুন করল? পুলিস দোষীদের খুঁজে বের করে তাদের গ্রেপ্তার করুক।
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় চা খেতে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বের হন নাসিম সাহেব। রাতে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাঁর খোঁজ শুরু করেন। গভীর রাত পর্যন্ত তাঁর কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। মোবাইলে ফোন করলে বার দুয়েক ফোনের রিং হয়। তারপরই তা বন্ধ হয়ে যায়। এদিন সকালে গ্রামবাসীরা কয়েকটি পাকা বাড়ির পিছনে সংকীর্ণ গলিতে তাঁকে পড়ে থাকতে দেখেন। মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়েছিলেন। স্থানীয়দের কাছ থেকে মৃত্যুর খবর পেতেই পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। গ্রামবাসীরাই থানায় খবর দেন। পুলিস গিয়ে দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। তবে পুলিস মৃতের মোবাইলটি পায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মৃতের মুখে আঘাতের চিহ্ন ছিল। নাক মুখ দিয়ে রক্ত পড়েছে। গায়ের জামা ও মাটি রক্তে ভিজে গিয়েছিল। যেখানে মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে, অত্যন্ত সংকীর্ণ গলি রয়েছে। সেই গলি ঝোপঝাড়ে ভর্তি। এমনকী ওই গলি একটি স্থানে গিয়ে শেষ হয়েছে। ফলে ওই দিকে তেমন কেউ যাতায়াত করে না। সেই সরু গলির ভিতর থেকে দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ধন্দ তৈরি হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নাসিম সাহেব কয়েক বছর আগে গ্রাম ঘুরে ঘুরে হাঁড়ি, বাসন, কাপড় ও মশারি বিক্রি করতেন। সেই ব্যবসা ছেড়ে তিনি সম্প্রতি সুদে টাকা খাটাতে শুরু করেন। তবে টাকা পয়সা নিয়ে কোনওদিন কারও সঙ্গে ঝামেলা হয়নি বলে পরিবারের দাবি। জঙ্গিপুর ফাঁড়ির পুলিস এদিন সকালে আশপাশের সমস্ত গলি ও রাস্তা ঘুরে দেখে। আশপাশের এলাকা থেকে সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করেছে। মৃতের বৃদ্ধা মা আবেনুর বেওয়া চোখের জল মুছতে মুছতে বলেন, আমার ছেলে শুক্রবার থেকে বাড়ি আসেনি। মোবাইলে ফোন করে পাচ্ছিলাম না। তখনই সন্দেহ হয়েছিল, কিছু একটা অঘটন ঘটেছে। আমার ছেলে কারও কোনওদিন ক্ষতি করেনি। তাও কেন ওকে খুন করল? পুলিস দোষীদের খুঁজে বের করে তাদের গ্রেপ্তার করুক।



