নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: বাবা-মা চা বাগানে কাজে গিয়েছিলেন। বাড়িতে একা ছিল তেরো বছরের কিশোরী। স্কুলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল সে। ফাঁকা বাড়িতে একা পেয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে এক প্রতিবেশী। ২০১৪ সালে নাগরাকাটার ওই ঘটনায় বুধবার অভিযুক্তকে ১০ বছর জেলের নির্দেশ দিল জলপাইগুড়ির বিশেষ পকসো আদালত। ন’জনের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে বিচারক রিন্টু শূর এই রায় দেন বলে জানিয়েছেন মামলার বিশেষ সরকারি আইনজীবী দেবাশিস দত্ত। তিনি বলেন, দশ বছরের সাজার পাশাপাশি ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানা, অনাদায়ে জেলের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। নির্যাতিতা ছাত্রীকে চার লক্ষ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ডিস্ট্রিক্ট লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটিকে।
Advertisement
আদালত সূত্রে খবর, শুধু একদিন নয়, ভয় দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে ওই ব্যক্তি। শেষবার যখন সে এই দুষ্কর্ম করে পালায়, মেয়েটি বাড়িতে যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকে। কাজ থেকে বাড়ি ফিরে মেয়ের এই অবস্থা দেখে দ্রুত ছাত্রীকে বাগানের হাসপাতালে নিয়ে যান তার বাবা-মা। সেখান থেকে ছাত্রীকে সুলকাপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরে মাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠানো হয় তাকে।
সেখানেই চিকিৎসকরা পরীক্ষার পর জানিয়ে দেন, তার উপর যৌন নির্যাতন হয়েছে। এরপর ছাত্রীকে চেপে ধরতেই পরিবারের কাছে সবটা খুলে বলে সে। জানায়, মেরে ফেলার হুমকি দেওয়ায় ভয়ে এতদিন ঘটনার কথা কাউকে জানাতে পারেনি সে। মেয়ের কাছ থেকে সবটা শুনে থানায় অভিযোগ দায়ের করে ছাত্রীর পরিবার। গ্রেপ্তার হয় অভিযুক্ত। করোনার সময় জামিনে ছাড়া পায় সে। এদিন তার বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করে আদালত।
সেখানেই চিকিৎসকরা পরীক্ষার পর জানিয়ে দেন, তার উপর যৌন নির্যাতন হয়েছে। এরপর ছাত্রীকে চেপে ধরতেই পরিবারের কাছে সবটা খুলে বলে সে। জানায়, মেরে ফেলার হুমকি দেওয়ায় ভয়ে এতদিন ঘটনার কথা কাউকে জানাতে পারেনি সে। মেয়ের কাছ থেকে সবটা শুনে থানায় অভিযোগ দায়ের করে ছাত্রীর পরিবার। গ্রেপ্তার হয় অভিযুক্ত। করোনার সময় জামিনে ছাড়া পায় সে। এদিন তার বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করে আদালত।



