সংবাদদাতা, ইসলামপুর: স্কুলছুটদের শিক্ষার আলোয় ফিরিয়ে আনতে গ্রামে গ্রামে ঘুরছেন শিক্ষক শিক্ষিকারা। ফলও মিলছে। অনেকেই ফের স্কুলমুখী হচ্ছে। নানা কারণে সরকারি স্কুলে পডুয়া সংখ্যা কমছে। এই পরিস্থিতিতে স্কুলছুটদের ফেরাতে চ্যালেঞ্জের মুখে শিক্ষকরা। তবুও এই কাজে নেমেছেন শিক্ষকরা। ইসলামপুর অবর বিদ্যালয় পরিদর্শকের অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকজনকে ইতিমধ্যে স্কুলে ফেরানো সম্ভব হয়েছে।
Advertisement
অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক শুভঙ্কর নন্দী বলেন, শিক্ষা দপ্তরের নির্দেশে চলতি মাসে প্রত্যেক স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা গ্রামে গ্রামে সার্ভে করছেন। স্কুলছুটদের স্কুলমুখী করার উদ্দেশ্যে। সার্ভের সঙ্গেই গ্রামে গিয়ে কচিকাঁচাদের ভর্তিও করিয়ে নিচ্ছেন স্থানীয় স্কুলে। বেশ কয়েকজন স্কুলছুট পাওয়া গিয়েছে। ইসলামপুরের মেলা মাঠ ও ছয়সিয়া এলাকায় দু’জন স্কুলছুট ছাত্র পাওয়া গিয়েছে। দুজনই প্রাথমিক স্কুলের পড়াশোনা শেষ করার দু’বছর পরেও হাইস্কুলে ভর্তি হয়নি। তাদের একজনকে ইসলামপুর হাইস্কুল ও অন্যজনকে মিলনপল্লি হাইস্কুলে ভর্তি করানো হয়েছে।
এলাকায় বেসরকারি স্কুল গজিয়ে ওঠায় অভিভাবকরা তাঁদের ছেলেমেয়েদের সেখানে ভর্তি করছেন। একারণে কিছু সরকারি স্কুলে দিনদিন পড়ুয়ার সংখ্যা কমছে বলে দাবি স্থানীয়দের। স্কুলছুটদের স্কুলমুখী করার পাশাপাশি সরকারি স্কুলে পড়ুয়া সংখ্যা বাড়াতে তাই বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন শিক্ষকরা। তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির জেলা সভাপতি গৌরাঙ্গ চৌহান বলেন, অনেক পরিবার ছেলেমেয়েদের বেসরকারি স্কুলে ভর্তি করছে। তাদের ধারণা, অনেক পরিবারের ধারণা, ইংরেজি মাধ্যম বেসরকারি স্কুলে পড়াশোনা করালে সন্তানদের ভালো হবে। কিন্তু সরকারি স্কুলে পড়েও অনেকেই ভালো ফল করে নজির গড়ছে। প্রতিষ্ঠিতও হয়েছে।
এলাকায় বেসরকারি স্কুল গজিয়ে ওঠায় অভিভাবকরা তাঁদের ছেলেমেয়েদের সেখানে ভর্তি করছেন। একারণে কিছু সরকারি স্কুলে দিনদিন পড়ুয়ার সংখ্যা কমছে বলে দাবি স্থানীয়দের। স্কুলছুটদের স্কুলমুখী করার পাশাপাশি সরকারি স্কুলে পড়ুয়া সংখ্যা বাড়াতে তাই বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন শিক্ষকরা। তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির জেলা সভাপতি গৌরাঙ্গ চৌহান বলেন, অনেক পরিবার ছেলেমেয়েদের বেসরকারি স্কুলে ভর্তি করছে। তাদের ধারণা, অনেক পরিবারের ধারণা, ইংরেজি মাধ্যম বেসরকারি স্কুলে পড়াশোনা করালে সন্তানদের ভালো হবে। কিন্তু সরকারি স্কুলে পড়েও অনেকেই ভালো ফল করে নজির গড়ছে। প্রতিষ্ঠিতও হয়েছে।



