নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বিরল প্রজাতির চারটি সোনালি লাঙ্গুর সহ ছয় চোরাকারবারিকে পুলিস গ্রেপ্তার করল। শুক্রবার গভীর রাতে বেলডাঙা থানার পুলিস তাদের পাকড়াও করে। উত্তরবঙ্গ থেকে নদীয়া জেলার একটি গোপন ডেরায় এই সোনালি লাঙ্গুর পাচার করা হচ্ছিল।
নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বিরল প্রজাতির চারটি সোনালি লাঙ্গুর সহ ছয় চোরাকারবারিকে পুলিস গ্রেপ্তার করল। শুক্রবার গভীর রাতে বেলডাঙা থানার পুলিস তাদের পাকড়াও করে। উত্তরবঙ্গ থেকে নদীয়া জেলার একটি গোপন ডেরায় এই সোনালি লাঙ্গুর পাচার করা হচ্ছিল।
পুলিস জানিয়েছে, ধৃতরা হল মিঠু দাস, টিটু দাস, সামিউল হোসেন বিশ্বাস, রফিকুল মহম্মদ, হাসিবুল মণ্ডল ও বিশ্বজিৎ বাগ। তাদের প্রত্যেকের বাড়ি নদীয়ার ভীমপুর ও চাপড়া থানা এলাকায়। ধৃতদের হেফাজত থেকে চারটি বিরল প্রজাতির সোনালি লাঙ্গুর উদ্ধার হয়েছে।
বেলডাঙার এসডিপিও উত্তম গড়াই বলেন, শুক্রবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বেলডাঙা থানার পুলিসের একটি দল ভাবতা রেলগেটের কাছে দু’টি চারচাকা গাড়ি আটক করে। সেই গাড়ি দু’টিতে তল্লাশি চালাতেই বিরল প্রজাতির চারটি সোনালি লাঙ্গুর উদ্ধার হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে, এই চক্রের মূল পাণ্ডা নদীয়ার বাসিন্দা মিঠু দাস। বাকি অভিযুক্তদের বাড়ি ওই জেলার চাপড়া ও ভীমপুর থানার বিভিন্ন গ্রামে। উত্তরবঙ্গের রায়গঞ্জ থেকে নদীয়া জেলার একটি গ্রামে এই বন্যপ্রাণী পাচার করা হচ্ছিল। পুলিসের তরফে বিষয়টি বনদপ্তরকে জানানো হয়েছে।
পুলিস জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশনামা আসার পর উদ্ধার হওয়া বিরল প্রজাতির চারটি বন্যপ্রাণীকে আলিপুর চিড়িয়াখানায় পাঠানো হবে। সেখানে নির্দিষ্ট সময় ‘কোয়ারান্টাইন পিরিয়ড’-এ রাখার পর সেগুলিকে অসমের একটি জাতীয় উদ্যানে ছেড়ে দেওয়া হবে। মুর্শিদাবাদ জেলায় এই বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণী উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পশ্চিম অসমের কিছু অংশ, ভুটানের কালো পর্বতের পাদদেশের আশপাশে এই বন্যপ্রাণী দেখতে পাওয়া যায়। এটা ভারতের সবচেয়ে বিপন্ন প্রজাতির একটি। হিমালয় সংলগ্ন এলাকার অনেক মানুষ সোনালি লাঙ্গুরকে পবিত্র মনে করেন।