Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

প্রতিবেশীকে পিটিয়ে খুনের দায়ে দুই মহিলা সহ একই পরিবারের ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

রাস্তায় মোরাম ফেলাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীর সঙ্গে বচসায় এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের দায়ে দুই মহিলা সহ একই পরিবারের ছ’জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত।

প্রতিবেশীকে পিটিয়ে খুনের দায়ে দুই মহিলা সহ একই পরিবারের ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  • ৩০ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাঁথি: রাস্তায় মোরাম ফেলাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীর সঙ্গে বচসায় এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের দায়ে দুই মহিলা সহ একই পরিবারের ছ’জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত।  মঙ্গলবার এই সাজা ঘোষণা করেন কাঁথি মহকুমা আদালতের ফার্স্ট ট্র্যাক সেকেন্ড কোর্টের বিচারক নুরুজ্জামান আলি। ২০১৪সালে পটাশপুরের গোয়ালদা-পাটনা গ্রামে  ঘটনাটি ঘটেছিল। সাজাপ্রাপ্তরা হল নিতাই মাইতি, তপন মাইতি, স্বপন মাইতি, রাজকুমার মাইতি, দিপালী মাইতি ও পূর্ণিমা মাইতি।  যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও পাঁচ মাস কারাবাসের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। দীর্ঘ ১১ বছর পর মামলার নিস্পত্তি হল।  

Advertisement

এই মামলার সরকারি আইনজীবী বেণীমাধব বেরা বলেন, মামলায় মোট ৩০ জন সাক্ষী দিয়েছেন। সমস্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ বিবেচনা করে বিচারক অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন। অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর মনজুর রহমান খান বলেন, কাঁথি আদালতে একসঙ্গে একই পরিবারের ছ’জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা বিরল। এর আগে আদালতে এই ধরনের সাজা ঘোষণা হয়েছে বলে মনে পড়ছে না। এই রায় সমাজের নানাদিকে ঘটে যাওয়া হিংসার ঘটনা ও অপরাধমনস্কতার পরিবর্তন আনবে বলে আশাবাদী। 
পুলিস ও আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে রাস্তায় মোরাম ফেলা নিয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বচসা ও মারপিট শুরু হয় গোয়ালদার বাসিন্দা শচীন্দ্রনাথ মাইতির। বচসার সময় শচীন্দ্রনাথবাবুকে, তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলেকে ব্যাপক মারধর করে প্রতিবেশী নিতাই মাইতি সহ  বাকিরা। মারধরের জেরে শচীন্দ্রনাথবাবু, স্ত্রী দুই ছেলে গুরুতর জখম হন। তাঁদের এগরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওইদিনই মারা যান শচীন্দ্রনাথবাবু। এরপর তাঁর স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস ছ’জনকে  গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীকালে তারা জামিনে মুক্ত ছিল। অভিযুক্তরা সাজা পাওয়ায় খুশি শচীন্দ্রনাথবাবু পরিবারের লোকজন। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ