Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গঙ্গামাটি না পেয়ে বিপাকে সিউড়ির মৃৎশিল্পীরা

শিরে সংক্রান্তি। পুজোর আর দু’মাসও বাকি নেই। কিন্তু গঙ্গা মাটি পেতে সমস্যা হচ্ছে। ফলে কীভাবে হবে প্রতিমার চূড়ান্ত পর্যায়ের সৌন্দর্যায়নের কাজ, তা ভেবেই ঘুম ছুটেছে মৃৎশিল্পীদের।

গঙ্গামাটি না পেয়ে বিপাকে সিউড়ির মৃৎশিল্পীরা
  • ১৯ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০১
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, সিউড়ি: শিরে সংক্রান্তি। পুজোর আর দু’মাসও বাকি নেই। কিন্তু গঙ্গা মাটি পেতে সমস্যা হচ্ছে। ফলে কীভাবে হবে প্রতিমার চূড়ান্ত পর্যায়ের সৌন্দর্যায়নের কাজ, তা ভেবেই ঘুম ছুটেছে মৃৎশিল্পীদের। সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে গঙ্গার জলস্তর বেড়ে গিয়েছে, তাই মাটি তোলা যাচ্ছে না। কিন্তু সামনেই গণেশ ও বিশ্বকর্মা পুজো। ফলে কবে মিলবে মাটি, সেই প্রশ্নই এখন সিউড়ির পটুয়াপাড়ায় মুখে মুখে ফিরছে।  আর চল্লিশ দিন বাদেই বাঙালির শারদোৎসব। তাই প্রতিমা নির্মাণে পটুয়াপাড়ায় এখন ব্যস্ততা চরমে। এরই মাঝে গঙ্গামাটি না মেলায় প্রতিমা গড়তে ব্যাপক সমস্যায় পড়ছেন শিল্পীরা। শিল্পীদের থেকে জানা গিয়েছে, প্রতিমার মুখাবয়ব তৈরির ক্ষেত্রে গঙ্গা মাটি গুরুত্বপূর্ণ। অন্য মাটিতে প্রতিমার মুখাবয়ব বানালে তা রোদে ফেটে যায়। এছাড়া অন্য মাটিতে অত্যাধিক মাত্রায় বালি, কাঁকর থাকে। ফলে সৌন্দর্যায়নের ক্ষেত্রেও  সমস্যায়  পড়তে হয়। সিউড়ি শহরের গঙ্গা মাটির বিক্রেতারা জানান, গত কয়েকমাসে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে। তার জেরেই গঙ্গার জলস্তর বেড়েছে। সেই কারণে মাটি তোলা যাচ্ছে না। তাই মাটি আসছে না। এই পরিস্থিতিতে শিল্পীরা জানান, আগে ২০০ টাকা বস্তা পাওয়া যেত গঙ্গা মাটি। এবছর বস্তা পিছু ৩৫০ টাকা দিতেও প্রস্তুত আমরা। কিন্তু ব্যবসায়ীরা ওই মাটি দিতে পারছেন না। সবার একটাই বক্তব্য, এখন মাটি  পাওয়া যাচ্ছে না। মৃৎশিল্পীরা জানান, যে কোনও পুজোর ক্ষেত্রে প্রতিমার সৌন্দর্যই শিল্পীর আসল পরিচয়। কিন্তু গঙ্গা মাটি না পাওয়া গেলে সেই সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে  সমস্যা হবে। গঙ্গা মাটির জায়গায় স্থানীয় এলাকায় যে মাটি পাওয়া যায় তা ব্যবহার করতে গেলে শিল্পীদের অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হয়। তাই সময়ও বেশি লাগে। 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ