Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খড়গ্রামের নামু যাদবপুরে ব্রাহ্মণীর উপর প্রস্তাবিত সেতুর স্থান পরিদর্শন

ব্রাহ্মণী নদী এখন দু’ কূল ছাপিয়ে বইছে। তার উপর ছ’ মাস আগে কাঠের সেতু ভেঙে গিয়েছে।

খড়গ্রামের নামু যাদবপুরে ব্রাহ্মণীর উপর প্রস্তাবিত সেতুর স্থান পরিদর্শন
  • ৫ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কান্দি: ব্রাহ্মণী নদী এখন দু’ কূল ছাপিয়ে বইছে। তার উপর ছ’ মাস আগে কাঠের সেতু ভেঙে গিয়েছে। তাই বাসিন্দাদের যাতায়াত করতে হচ্ছে ঘুরপথে। ঘটনাটি খড়গ্রাম থানার ব্রাহ্মণী নদীর নামু যাদবপুর এলাকার। ওই কঠের সেতু দিয়ে পারাপার করতেন নবগ্রাম ও খড়গ্রাম ব্লক এলাকার বাসিন্দারা। সম্প্রতি জেলা পরিষদের ইঞ্জিনিয়াররা প্রস্তাবিত সেতু এলাকা পরিদর্শ করেছেন। তাতেই দুই পাড়ের বাসিন্দারা আশায় বুক বাঁধছেন। প্রসঙ্গত, ব্রাহ্মণীর পূর্বে রয়েছে নবগ্রাম ও পশ্চিমে খড়গ্রাম ব্লকের অন্তত ৪০টি গ্রাম। কয়েক বছর ধরে দুই পাড়ের গ্রামের বাসিন্দারা ব্রাহ্মণীর কাঠের তৈরি সেতুর উপরই ভরসা করতেন। বাইক ছাড়াও ছোট চার চাকার গাড়িও যাতায়াত করত তার উপর দিয়ে। ওই সেতুর একদিকে ছিল নবগ্রামের জাফরপুর, অন্যদিকে খড়গ্রামের নামুযাদবপুর। কিন্তু গতবছর ডিসেম্বরে একটি চার চাকার গাড়ি সেতু ভেঙে নদীতে পড়ে যায়। তাতে চালক সহ পাঁচজন জখম হন। এই ঘটনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাঠের সেতু বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাসিন্দারা সেখানে একটি কংক্রিটের সেতুর দাবি তোলেন। ওই সময়ে নবগ্রাম বিধায়ক ও খড়গ্রাম বিধায়ক যৌথভাবে নবান্নে কংক্রিটের সেতু তৈরির আবেদন করেছিলেন। সম্প্রতি প্রস্তাবিত সেতু এলাকা পরিদর্শন করেন ইঞ্জিনিয়াররা। যার ফলে বাসিন্দাদের মনে আশা জেগেছে। জাফরপুর গ্রামের বাসিন্দা আশরাফুল শেখ বলেন, এই সেতু তৈরি না হলে এলাকার অন্তত ৪০টি গ্রাম অচল। তবে ইঞ্জিনিয়ারদের দেখে মনে হয়েছে কাজ হবে। ওঁরা ফিতে ধরে সব মাপজোক করছিলেন। নামু যাদবপুরের বাসিন্দা নিমাই মার্জিজ বলেন, এই সেতু তৈরি হলে গোটা এলাকা উপকৃত হবে। বিশেষ করে আমাদের মতন পলু চাষিরা সহজে নবগ্রামে ব্যবসা করতে পারবেন। 

Advertisement

এদিকে কাঠের সেতু ভেঙে যাওয়ার পর বাসিন্দাদের অনেকটা ঘুরপথে যাতায়াত করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন। স্থানীয় ঘুষকুল গ্রামের বাসিন্দা মহম্মদ ঝন্টু শেখ বলেন, কাঠের সেতু ভেঙে যাওয়ার পর সকলকে কয়েক কিলোমিটার ঘুরপথে চলাচল করতে হচ্ছে। টিঠিডাঙা গ্রামের কাছে কংক্রিটের নজরুল পদসেতুই এখন প্রত্যেকের একমাত্র ভরসা। তাই  প্রস্তাবিত সেতুর দিকে আমরা সকলেই তাকিয়ে রয়েছে। খড়গ্রাম বিধায়ক আশিস মার্জিত বলেন, ইঞ্জিনিয়াররা প্রস্তাবিত সেতু এলাকা পরিদর্শন করেছেন। সেখানে একটি আট ফুট চওড়া সেতু তৈরি হবে বলে মনে করছি। বিষয়টি নিয়ে আমরা নবান্নে যোগযযোগ রেখে চলেছি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ