নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: এসআইআর ইস্যুতে মোদি সরকারের উপর চাপ যে ক্রমেই বাড়বে, বুঝিয়ে দিলেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর হুঙ্কার, ‘নির্বাচিত রাজ্য সরকারকে বুলডোজ করে বাংলায় এসআইআর করার চেষ্টা করলে প্রবল প্রতিরোধ হবে।’
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: এসআইআর ইস্যুতে মোদি সরকারের উপর চাপ যে ক্রমেই বাড়বে, বুঝিয়ে দিলেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর হুঙ্কার, ‘নির্বাচিত রাজ্য সরকারকে বুলডোজ করে বাংলায় এসআইআর করার চেষ্টা করলে প্রবল প্রতিরোধ হবে।’
কেন্দ্রের মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার রণংদেহী মেজাজে আক্রমণ শানান অভিষেক। চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, ‘ফেক ভোটার তালিকায় যদি ২০২৪ সালের নির্বাচন হয়, তাহলে ক্ষমতা থাকলে লোকসভা ভঙ্গ করে দেখান মোদি। আমি ইস্তফা দেব। তৃণমূলেরও সবাই ইস্তফা দেবে। নতুন করে ভোট হোক। দেখি কারা জেতে।’ এখানেই শেষ নয়, জাল ভোটার তালিকায় ভোট হয়ে থাকলে প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারকে গ্রেপ্তার করতে হবে বলেও দাবি তোলেন তিনি। পরে ঘনিষ্ঠ মহলে একান্ত আলাপচারিতায় অভিষেক জানান, এসআইআর ইস্যুতে বিজেপি ফাঁদে পড়ে গিয়েছে। তাই বাংলায় বিজেপি যত এই ইস্যুতে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার ফন্দি করবে, ততই ওদের ভোট কমবে। নাগরিকত্ব চলে যেতে পারে আশঙ্কায় মানুষ যেভাবে সিএএ (সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট)-র বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিল, একইভাবে ভোটাধিকার হারানোর আশঙ্কা তৈরি হলেও প্রতিরোধ হবে। বিজেপি বাংলায় সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ করার চেষ্টা করেও বিধানসভায় জিততে পারবে না।
বিজেপি সাংসদ অনুরাগ সিং ঠাকুরের অভিযোগের বিরুদ্ধেও এদিন সরব হন তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা। গত বুধবার অনুরাগ দাবি করেছিলেন, ডায়মন্ডহারবার কেন্দ্রে জাল ভোটার রয়েছে। পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন অভিষেক। ডায়মন্ডহারবারের বোলসিধি কালিনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে একই ঠিকানায় ৪১ জন ভোটারের ভিডিও তৈরি করে পেন ড্রাইভে ভরে অনুরাগের দিল্লির ঠিকানায় (১ কামরাজ মার্গ) পাঠান। তাঁর এই মাস্টারস্ট্রোকে রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় দিল্লির রাজনৈতিক মহলে। এসআইআর নিয়ে সুর চড়ানোর মধ্যেই বিজেপি-আরএসএসের মধ্যে চলা অর্ন্তদ্বন্দ্বও উসকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদি যদি ভাবেন অমিত শাহকে ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রীর পদে বসাবেন, তাহলে বিজেপি দু’ভাগ হয়ে যাবে। শাহের যোগ্যতা, জনপ্রিয়তা কিছুই নেই।