Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শিলিগুড়ি: মেগা জল প্রকল্পের জমিজট কাটল, বনবিভাগের ছাড়পত্র পেল পুরসভা

শিলিগুড়ি পুরসভার মেগা জল প্রকল্পের জমি নিয়ে আর কোনও সমস্যা থাকল না। গজলডোবা থেকে জল আনতে যে রুট পাইপ পাতার জন্য চিহ্নিত হয়েছে তারমধ্যে ১০ কিমি বনবিভাগের জমি।

শিলিগুড়ি: মেগা জল প্রকল্পের জমিজট কাটল, বনবিভাগের ছাড়পত্র পেল পুরসভা
  • ২২ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ি পুরসভার মেগা জল প্রকল্পের জমি নিয়ে আর কোনও সমস্যা থাকল না। গজলডোবা থেকে জল আনতে যে রুট পাইপ পাতার জন্য চিহ্নিত হয়েছে তারমধ্যে ১০ কিমি বনবিভাগের জমি। সেইমতো জমির মূল্য বাবদ ৮৮ লক্ষ টাকা আগেই বনবিভাগকে পুরসভা মিটিয়ে দিয়েছে। গত শুক্রবার রাজ্য সরকারের তরফে সেই জমি সংক্রান্ত যাবতীয় সম্মতি শিলিগুড়ি পুরসভায় এসেছে বলে শনিবার জানান মেয়র গৌতম দেব। 

Advertisement

এই জল প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে সবকিছু খতিয়ে দেখতে এদিন আম্রুতের উচ্চপদস্থ আধিকারিক সহ রাজ্যের একটি বিশেষ দল পরিদর্শনে আসে। এই জল প্রকল্পের ইনটেক ওয়েল বাঁধ থেকে কতটা দূরে হবে তা নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। মেয়র বলেন, সর্বশেষ সিদ্ধান্ত হয়েছে ৭৫ মিটার থেকে কমিয়ে তা ৫৫ মিটার করা হবে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়ে নকশা তৈরি করিয়ে সেচদপ্তরে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। সেচদপ্তর অনুমোদন দিয়ে দেবে বলে আশ্বাস দিয়েছে। 
এই প্রকল্পে পাইপ নিয়ে যাওয়ার পথে কিছুটা জমি জঙ্গল এলাকার মধ্যে পড়েছে। মেয়র বলেন, সেই জমির জন্য রাজ্য সরকারের তরফে নকশা করে অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রের কাছে পাঠানো হবে। সেই অনুমোদনও পেতে কোনও সমস্যার কিছু হবে না। 
প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের পর বিশেষজ্ঞ দল পুরসভায় মেয়রের সঙ্গে বৈঠক করে। আলোচনার মূল বিষয় ছিল আম্রুত প্রকল্পের আওতায় শিলিগুড়ির জল সরবরাহ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণ। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যস্তরের একাধিক আধিকারিক। কলকাতা থেকে এসেছিলেন অম্রুত-২  প্রকল্পের স্টেট মিশন ডিরেক্টর বদ্রীনারায়ণ কর, চিফ ইঞ্জিনিয়ার পার্থপ্রতিম কর সহ ইঞ্জিনিয়ার ও আধিকারিকরা। 
বৈঠক শেষে মেয়র বলেন, শহরের জল সরবরাহ ব্যবস্থার পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে এই প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আম্রুত প্রকল্পের অধীনে যে 
পরিকল্পনাগুলি নেওয়া হয়েছে, তা দ্রুত বাস্তবায়নের পথে। পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদ, রাজ্য সরকার এবং শিলিগুড়ি পুরসভা একযোগে কাজ করছে। দ্রুততার সঙ্গে কাজ এগচ্ছে। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে শিলিগুড়ির জলসঙ্কট সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে। ১৩টি ওভার হেড রিজার্ভার করা হবে।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ