গোপাল সূত্রধর, বালুরঘাট: ভয়ঙ্করী নন,স্নিগ্ধ রূপের শ্যামাই মূল আকর্ষণ বালুরঘাট ব্লকের বাদামাইল বিবাদী সংঘের পুজোয়। একেবারে শিশুদের মিষ্টি মুখের আদলে তৈরি হচ্ছে শ্যামা মায়ের রূপ। পুজোমণ্ডপেও রয়েছে শৈশবের ছোঁয়া। শৈশবের সেকাল-একালের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। মণ্ডপের একপাশে থাকছে শিশুদের সেকালের খেলাধুলোর চিত্র। অপর পাশে থাকছে বর্তমান যুগের খেলাধুলোর সামগ্রী। মোবাইল ও ইন্টারনেটের যুগে খেলাধুলোর কৌশল বদলেছে শিশুরা। ফলে অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের মানসিক বিকাশ কিছুটা হলেও থমকে গিয়েছে। এবারের পুজোর মাধ্যমে শিশুদের সেকাল ও একালের দুই চিত্র তুলে ধরবেন উদ্যোক্তারা।
পুজো কমিটির সভাপতি কৌশিক তালুকদার বলেন, এবারের পুজোর মাধ্যমে আমরা শিশুদের বার্তা দিতে চলেছি। শিশুদের বাস্তব জীবনের সেকাল এবং একালের চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে। মোবাইল ও ইন্টারনেটের ফলে শিশুদের মানসিক বিকাশ কিছুটা হলেও থমকে গিয়েছে। আগের খেলাধুলোর সামগ্রী তুলে ধরে আমরা শিশুদের জন্য বিশেষ বার্তা দিতে চাইছি। প্রতিমাও শিশুদের মিষ্টি মুখের আদলে তৈরি হচ্ছে।
পুজো কমিটির সম্পাদক অনির্বাণ দত্ত বলেন, প্রতিমা এবং মণ্ডপের পাশাপাশি আলোকসজ্জাতেও দুই সময়ের ছোঁয়া থাকছে। যা দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করবে। পুজোয় সামাজিক কর্মসূচিও রেখেছি। প্রতিমা তৈরি করছেন মৃৎশিল্পী অমিত মালি। মণ্ডপের একপাশে থাকছে শিশুদের সেকালের খেলাধুলোর সামগ্রী। লুডু, ঘুড়ি, মুখোশ, কাগজের নৌকা, কাগজের প্লেন, সাইকেলের টায়ার সহ নানা খেলার সামগ্রী। অপরপাশে থাকছে বর্তমান যুগের শিশুদের খেলাধুলোর সামগ্রী যেমন কম্পিউটার, কিবোর্ড, ভিডিও গেম, মোবাইল, ইন্টারনেট ইত্যাদি। আলোকসজ্জাতেও একদিকে থাকছে পুরনো যুগের বাল্বের আলো। অপরদিকে থাকবে অত্যাধুনিক ডিজিটাল আলোকসজ্জা। যার মাধ্যমে দুই সময়কে তুলে ধরা হবে। মণ্ডপ ও আলোকসজ্জার কাজ করছেন শিল্পী সুভদ্র লাহা।