সংবাদদাতা, রামপুরহাট: জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। তাই রাত ৮টা বাজতে না বাজতেই রামপুরহাট মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। আর সেই সুযোগেই চুরির ঘটনা বাড়ছে। মল্লারপুর ও মুরারইয়ে এরই মধ্যে স্কুল ও দু’টি দোকানে চুরি হয়েছে। বেড়ানোর মরশুমে বাড়ি ফাঁকা রেখে কোথাও যাওয়ার সাহস পাচ্ছেন না মানুষ। সেকারণে পুলিসি টহলদারি বাড়ানোর দাবি উঠেছে। পুলিস অবশ্য জানিয়েছে, চুরির ঘটনা রুখতে সবরকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। রাতের দিকে টহলদারি বাড়ানো হচ্ছে। ক্রিমিনাল রেকর্ড আছে, এমন ব্যক্তিদের গতিবিধির উপর নজর রাখা হচ্ছে।
Advertisement
মহকুমায় ক্রমবর্ধমান চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষ উদ্বিগ্ন। তাঁদের বক্তব্য, সারাবছর চুরি-ছিনতাই হলেও শীত পড়তেই তা অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। ঠান্ডায় সন্ধ্যার পর থেকেই রাস্তাঘাটে লোকজনের আনাগোনা কমে যায়। রাত বাড়লে কুয়াশার আড়ালে চুরি করে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যাচ্ছে। অনেকক্ষেত্রে চুরি করে সংলগ্ন ঝাড়খণ্ডে পালিয়ে যাওয়ায় পুলিস দুষ্কৃতীদের নাগাল পাচ্ছে না।
শনিবার মল্লারপুরের জামালপুর হাইস্কুলে চুরির ঘটনা ঘটে। দুষ্কৃতীরা স্কুলের পরপর চারটি রুমের তালা ভেঙে চুরি করেছে। অভিযোগ পেয়ে পুলিস সিসি ক্যামেরার ফুটেজকে হাতিয়ার করে তদন্তে নেমেছে। একই রাতে মুরারইয়ের চাতরায় একটি মোবাইল ও সোনার দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে। প্রায় পাঁচ লক্ষ টকার মোবাইল ও কয়েকহাজার টাকার গয়না চুরি গিয়েছে। দু’টি দোকানের মালিক থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন। কিন্তু ২৪ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও চুরির কিনারা করতে পারেনি পুলিস। এছাড়া, প্রায়ই ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়া দুষ্কৃতীদের পুলিস গ্রেপ্তার করছে।
রামপুরহাটের বাসিন্দাদের অভিযোগ, শহরে মাদক সেবনকারীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। মাদক কেনার টাকা জোগাড় করতে তারা নানা অপরাধে লিপ্ত হচ্ছে। প্রধান রাস্তার ধারে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সিসি ক্যামেরা রয়েছে। তাই দুষ্কৃতীরা ধরা পড়ার ভয়ে ওয়ার্ডের ভিতরের দোকান ও ফাঁকা বাড়িকে টার্গেট করছে।
শনিবার মল্লারপুরের জামালপুর হাইস্কুলে চুরির ঘটনা ঘটে। দুষ্কৃতীরা স্কুলের পরপর চারটি রুমের তালা ভেঙে চুরি করেছে। অভিযোগ পেয়ে পুলিস সিসি ক্যামেরার ফুটেজকে হাতিয়ার করে তদন্তে নেমেছে। একই রাতে মুরারইয়ের চাতরায় একটি মোবাইল ও সোনার দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে। প্রায় পাঁচ লক্ষ টকার মোবাইল ও কয়েকহাজার টাকার গয়না চুরি গিয়েছে। দু’টি দোকানের মালিক থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন। কিন্তু ২৪ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও চুরির কিনারা করতে পারেনি পুলিস। এছাড়া, প্রায়ই ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়া দুষ্কৃতীদের পুলিস গ্রেপ্তার করছে।
রামপুরহাটের বাসিন্দাদের অভিযোগ, শহরে মাদক সেবনকারীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। মাদক কেনার টাকা জোগাড় করতে তারা নানা অপরাধে লিপ্ত হচ্ছে। প্রধান রাস্তার ধারে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সিসি ক্যামেরা রয়েছে। তাই দুষ্কৃতীরা ধরা পড়ার ভয়ে ওয়ার্ডের ভিতরের দোকান ও ফাঁকা বাড়িকে টার্গেট করছে।



