সংবাদদাতা, কাটোয়া: শীত পড়তেই একদিনের ছোট্ট ভ্রমণে আউশগ্রামের ভাল্কি মাচানে পর্যটকের ভিড় বাড়ছে। ভাল্কি মাচানকে কেন্দ্র করে আশেপাশের দর্শনীয় স্থানগুলোতেও ভিড় কড়ছেন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ। আপনি যদি অরণ্যে বেড়াতে ভালোবাসেন, তাহলে সপ্তাহের শেষে একদিনের ভ্রমণে আপনি যেতেই পারেন আউশগ্রামের ভাল্কি মাচানে। শাল পিয়ালের নির্জন অরণ্যে বসে নানারকম পাখির ডাক শুনতে মন্দ লাগবে না। ভাল্কি সাজিয়ে তুলতে নানা পরিকল্পনা নিচ্ছে ব্লক প্রশাসন।
Advertisement
আউশগ্রাম-২ বিডিও চিন্ময় দাস বলেন, ভাল্কি মাচানজুড়ে আমরা নানা পরিকল্পনা নিচ্ছি, সংস্কার করা হবে মাচান রিসর্ট। তার চারপাশে সৌন্দর্যায়ণ করা হবে। অল্প শীতে ছুটি কাটানোর আদর্শ জায়গা হিসাবে ভাল্কি মাচানকে অনেকেই বেছে নেন। ভাল্কির জঙ্গলে খরগোশ, শিয়াল, হায়না এসবের দেখা মেলে। তাছাড়া শান্ত জঙ্গল ঘেরা রিসর্টে গ্রাম্য পরিবেশে থাকতে অনেকেই পছন্দ করেন। আশেপাশের জমিদার বাড়ি, জলটুঙ্গি, টেরাকোটা মন্দির দর্শনেরও সুযোগ রয়েছে। ভাল্কির অরণ্যসুন্দরী রিসর্টে মোট ৭টি ঘর আর একটি ডরমেটরি রয়েছে। এখন থেকেই পর্যটকদের ভিড়ে মুখরিত হচ্ছে জঙ্গল মহল।
ভাল্কিতে একদিনের রাত্রিবাস করে আশেপাশের দর্শনীয় স্থানগুলি বেড়িয়ে নিচ্ছেন পর্যটকরা। দিগনগরের চাঁদনির জলটুঙ্গিতে গেলে সবার মন ভালো হয়ে যাবে। বর্ধমান রাজার জলটুঙ্গি আলাদা অনুভূতি আনে। ডোকরার হস্তশিল্পও কেনাকাটা করছেন পর্যটকরা। ভাল্কিতে রাত্রিবাস করলে আপনি ঘুরে আসতে পারবেন কাঁকসার ইছাই ঘোষের দেউল থেকে। এছাড়া ফেরার পথে কালিকাপুর রাজবাড়ি একটা দর্শনীয় স্থান। পুরানো সাতমহলা জমিদার বাড়ি, বাঁধানো ঘাটের পুকুর, টেরাকোটার জোড়ামন্দির পর্যটকদের মন কাড়ছে। মাচানে খাওয়াদাওয়াও এক্কেবারে ঘরোয়া। পুকুরের দেশি রুই-কাতলা থেকে দেশি মুরগি পর্যটকদের কাছে লা জবাব। ভোরের দিকে জঙ্গলে এখন শিউলিরা খেজুর গুড় তৈরি করছেন। বিকেলে আউশগ্রামের বননবগ্রামের বাউল আশ্রমে বাউল গান শুনে মোহিত হয়ে যাচ্ছেন। ওয়ারিশপুরে কাঁথাস্টিচের কাজও দেখতে যাচ্ছেন বহু পর্যটক। ওয়ারিশপুরের কাঁথাস্টিচ শিল্পী তাহমিনা বেগম বলেন, পর্যটকরা এখন থেকেই আসতে শুরু করেছেন। তাঁরা কেনাকাটাও করছেন। আউশগ্রামের ভাল্কি মাচানে পর্যটন মরশুম শুরু হওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মুখেও হাসি ফুটেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের একাংশ বলছেন, সারা বছর আমরা এই মরশুমের দিকে তাকিয়ে থাকি। অনেকেই টোটো ভাড়া করে জঙ্গলের নানা প্রান্ত ঘুরে দেখছেন। আবার অনেকেই স্থানীয় বাজারে কেনাকাটাও করছেন। আদুরিয়ার জঙ্গলে ময়ূরের সংখ্যাও বেড়েছে। সেখানেও পর্যটক আসা শুরু করেছেন। আদুরিয়া জঙ্গলে যাতে পর্যটকরা ছোট্ট তাঁবু খাটিয়ে রাত্রিবাস করতে পারেন তারজন্য বনদপ্তরের সঙ্গে কথাও বলবে ব্লক প্রশাসন।
ভাল্কিতে একদিনের রাত্রিবাস করে আশেপাশের দর্শনীয় স্থানগুলি বেড়িয়ে নিচ্ছেন পর্যটকরা। দিগনগরের চাঁদনির জলটুঙ্গিতে গেলে সবার মন ভালো হয়ে যাবে। বর্ধমান রাজার জলটুঙ্গি আলাদা অনুভূতি আনে। ডোকরার হস্তশিল্পও কেনাকাটা করছেন পর্যটকরা। ভাল্কিতে রাত্রিবাস করলে আপনি ঘুরে আসতে পারবেন কাঁকসার ইছাই ঘোষের দেউল থেকে। এছাড়া ফেরার পথে কালিকাপুর রাজবাড়ি একটা দর্শনীয় স্থান। পুরানো সাতমহলা জমিদার বাড়ি, বাঁধানো ঘাটের পুকুর, টেরাকোটার জোড়ামন্দির পর্যটকদের মন কাড়ছে। মাচানে খাওয়াদাওয়াও এক্কেবারে ঘরোয়া। পুকুরের দেশি রুই-কাতলা থেকে দেশি মুরগি পর্যটকদের কাছে লা জবাব। ভোরের দিকে জঙ্গলে এখন শিউলিরা খেজুর গুড় তৈরি করছেন। বিকেলে আউশগ্রামের বননবগ্রামের বাউল আশ্রমে বাউল গান শুনে মোহিত হয়ে যাচ্ছেন। ওয়ারিশপুরে কাঁথাস্টিচের কাজও দেখতে যাচ্ছেন বহু পর্যটক। ওয়ারিশপুরের কাঁথাস্টিচ শিল্পী তাহমিনা বেগম বলেন, পর্যটকরা এখন থেকেই আসতে শুরু করেছেন। তাঁরা কেনাকাটাও করছেন। আউশগ্রামের ভাল্কি মাচানে পর্যটন মরশুম শুরু হওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মুখেও হাসি ফুটেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের একাংশ বলছেন, সারা বছর আমরা এই মরশুমের দিকে তাকিয়ে থাকি। অনেকেই টোটো ভাড়া করে জঙ্গলের নানা প্রান্ত ঘুরে দেখছেন। আবার অনেকেই স্থানীয় বাজারে কেনাকাটাও করছেন। আদুরিয়ার জঙ্গলে ময়ূরের সংখ্যাও বেড়েছে। সেখানেও পর্যটক আসা শুরু করেছেন। আদুরিয়া জঙ্গলে যাতে পর্যটকরা ছোট্ট তাঁবু খাটিয়ে রাত্রিবাস করতে পারেন তারজন্য বনদপ্তরের সঙ্গে কথাও বলবে ব্লক প্রশাসন।



