সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: একদিকে সুর, অন্যদিকে ঘুঙুরের ছন্দ, দুইয়ের আবহে শনিবার বিষ্ণুপুরের আকাশে বাতাস ধ্বনিত হল। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের তরফে এদিন পোড়ামাটির হাটে শাস্ত্রীয় নৃত্যের ‘পরম্পরা’ অনুষ্ঠান শুরু হয়। একই দিনে শহরের একটি বেসরকারি ভবনে বিষ্ণুপুরের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পীদের সমন্বয়ে শুরু হয়েছে সুরযজ্ঞ। দু’টি অনুষ্ঠানই দু’দিন ধরে চলবে। এদিন সন্ধ্যায় শহরের পোড়ামাটির হাটে সরকারি অনুষ্ঠান ‘পরম্পরার’ আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। বিশিষ্টজনেরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। শাস্ত্রীয় নৃত্যের নামী শিল্পীরা সেখানে নৃত্য পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে পোড়ামাটির হাট রঙিন আলোয় আলোকিত করা হয়। এদিনই সকাল ১০টায় সুরযজ্ঞের সূচনা হয়। সারাদিন ও সারা রাত্রী ব্যাপি সুরের সাধনায় মগ্ন হন শিল্পীরা।
Advertisement
বিষ্ণুপুর মহকুমা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক সৌমি দাস বলেন, প্রতিবছর তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধীন শিশু কিশোর অ্যাকাডেমির তরফে রাজ্যের যে কোনও একটি জায়গায় শাস্ত্রীয় নৃত্যের অনুষ্ঠান হয়। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এবার বিষ্ণুপুরে তার আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার তার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। রবিবার পর্যন্ত তা চলবে।
তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পরম্পরা অনুষ্ঠানে মণিপুরী নৃত্যে একাধিক পুরস্কারে ভূষিত কলাবতীদেবী এবং তাঁরই শিষ্যা সোমাশ্রী ঘোষ, বিশিষ্ট কত্থক নৃত্য শিল্পী অমিতা দত্ত, ভরতনাট্টম শিল্পী অনিতা মল্লিক প্রমুখ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।
এছাড়াও বিষ্ণুপুরের বিভিন্ন শাস্ত্রীয় নৃত্যের স্কুলের ছাত্রছাত্রীরাও পরম্পরায় নৃত্য পরিবেশন করবেন। আজ, রবিবার অনুষ্ঠান শেষ হবে। পরম্পরা উপলক্ষ্যে পোড়ামাটির হাট আলোকমালায় সাজানো হয়।
শনিবার সকাল ১০টায় শুরু হওয়ায় সুরযজ্ঞ অনুষ্ঠানে টানা ২৪ঘণ্টা নিরবিচ্ছিন্ন শাস্ত্রীয় সঙ্গীত পরিবেশনার আয়োজন করা হয়। দুই শতাধিক শিল্পী তাতে অংশ নেন। আজ রবিবার তা শেষ হবে। একই শহরে একই দিনে সুর ও ঘুঙুরের ছন্দে মাতোয়ারা হন শাস্ত্রীয় সঙ্গীত ও শাস্ত্রীয় নৃত্যপ্রেমীরা।
তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পরম্পরা অনুষ্ঠানে মণিপুরী নৃত্যে একাধিক পুরস্কারে ভূষিত কলাবতীদেবী এবং তাঁরই শিষ্যা সোমাশ্রী ঘোষ, বিশিষ্ট কত্থক নৃত্য শিল্পী অমিতা দত্ত, ভরতনাট্টম শিল্পী অনিতা মল্লিক প্রমুখ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।
এছাড়াও বিষ্ণুপুরের বিভিন্ন শাস্ত্রীয় নৃত্যের স্কুলের ছাত্রছাত্রীরাও পরম্পরায় নৃত্য পরিবেশন করবেন। আজ, রবিবার অনুষ্ঠান শেষ হবে। পরম্পরা উপলক্ষ্যে পোড়ামাটির হাট আলোকমালায় সাজানো হয়।
শনিবার সকাল ১০টায় শুরু হওয়ায় সুরযজ্ঞ অনুষ্ঠানে টানা ২৪ঘণ্টা নিরবিচ্ছিন্ন শাস্ত্রীয় সঙ্গীত পরিবেশনার আয়োজন করা হয়। দুই শতাধিক শিল্পী তাতে অংশ নেন। আজ রবিবার তা শেষ হবে। একই শহরে একই দিনে সুর ও ঘুঙুরের ছন্দে মাতোয়ারা হন শাস্ত্রীয় সঙ্গীত ও শাস্ত্রীয় নৃত্যপ্রেমীরা।



