নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: মোবাইল কেনার নামে ডেকে দুই যুবককে বেধড়ক মারধর, ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এমনই অভিযোগ উঠল শান্তিপুরে। মঙ্গলবার এঘটনায় প্রচণ্ড মারধরের জেরে একজনের হাত ভেঙে যায়। অভিযুক্ত সেলিম মালিতার বিরুদ্ধে শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করেনি।
Advertisement
পূর্ব বর্ধমান জেলার পূর্বস্থলীর বাসিন্দা বাবলু দাস নিজের দু’টি দামি ফোন বিক্রির জন্য একটি অনলাইন সংস্থায় বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন। সেই বিজ্ঞাপন দেখেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে সেলিম। সেইমতো মঙ্গলবার নিজের ভাইকে নিয়ে বাবলু শান্তিপুরে চলে আসেন। অভিযোগ, সেলিম তাঁদের শান্তিপুরের রাজপুতপাড়ার একটি ক্লাবে নিয়ে যায়। সেখানে আরও ছয়-সাতজন যুবক আগে থেকেই উপস্থিত ছিল। ক্লাবের দরজা বন্ধ করে প্রথমে ভয় দেখিয়ে, তারপর বেধড়ক মারধর করে মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। কোনওমতে সেখান থেকে পালিয়ে প্রাণ বাঁচান বাবলু এবং তাঁর ভাই। এরপর যন্ত্রণাকাতর ভাইকে নিয়ে শান্তিপুর হাসপাতালে পৌঁছন বাবলু। সেখানে চিকিৎসার পর শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বাবলু দাস বলেন, সেলিম আমাদের হুমকি দিয়েছিল, পুলিসের সঙ্গে তার খাতির আছে। আমাকে ও আমার ভাইকে বেধড়ক মারধর করেছে। আমরা প্রচণ্ড আতঙ্কে রয়েছি। টাকার দরকার বলে দামি ফোন দু’টি ১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করতে চেয়েছিলাম। আমরা চাই সেলিমের শাস্তি হোক।
পুলিস অভিযোগ নিলেও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত সেলিম মালিতাকে গ্রেপ্তার করেনি। নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি? এই প্রশ্নকে ঘিরে রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে।
পুলিস অভিযোগ নিলেও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত সেলিম মালিতাকে গ্রেপ্তার করেনি। নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি? এই প্রশ্নকে ঘিরে রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে।



