নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহারে সদ্য শেষ হয়েছে রাস উৎসব। দীর্ঘ ১৫ দিন ধরে একইসঙ্গে চলেছে রাস উৎসব ও রাসমেলা। শামিল হয়েছেন লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী। উৎসব শেষে মদনমোহন গর্ভগৃহে এখন। এদিকে, প্রাণের ঠাকুর মদনমোহনের রাস উৎসব চলাকালীনই কোচবিহারে শীত পড়তে শুরু করেছে। হেমন্তের শেষ বেলায় শীতের আমেজ শুরু হতেই আগামী ৭ ডিসেম্বর, শনিবার শীতবস্ত্র গায়ে দেবেন মদনমোহন। ওই দিন বিশেষ পুজো শেষে তিনি শীতবস্ত্র গায়ে চাপাবেন বলে মন্দির সূত্রে জানা গিয়েছে।
Advertisement
মদনমোহন মন্দিরের কর্মী সমর চক্রবর্তী বলেন, এতদিন মদনমোহন গায়ে গরম কোনও বস্ত্র পরিধান করেননি। ৭ ডিসেম্বর গরম পোশাক পরিধান করবেন। সেই দিন বিশেষ পুজো হবে। এই প্রথাকে প্রাবর্ণ উৎসব বলা হয়। এটি মদনমোহনের দ্বাদশ যাত্রার একটি। মন্দিরের পূজারি শিবকুমার চক্রবর্তী এই পুজো করবেন। ওই রাত থেকে মদনমোদন গরম চাদর গায়ে দিয়ে শয়ানে যাবেন।
গত ১৫ নভেম্বর মদনমোহন মন্দিরে রাস উৎসবের সূচনা হয়েছিল। ৩০ ডিসেম্বর শেষ হয়েছে। এই দীর্ঘ সময় মদনমোহন মন্দিরের বারান্দায় অধিষ্ঠান করেছিলেন। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী মদনমোহন মন্দিরে এসে পুজো দেন। রাস উৎসব উপলক্ষ্যে যাঁরা মদনমোহন মন্দিরে আসেন ও রাস মেলায় শামিল হন তাঁদের অধিকাংশই এবার রাতে হালকা শীতবস্ত্র গায়ে দিয়ে এসেছেন। কোচবিহারে এখন সকাল ও রাতের দিকে বেশ ভালো ঠান্ডা পড়তে শুরু করেছে। আর এই আবহেই এবার কোচবিহারের প্রাণের ঠাকুর মদনমোহন শীতবস্ত্র গায়ে দেবেন।
গত ১৫ নভেম্বর মদনমোহন মন্দিরে রাস উৎসবের সূচনা হয়েছিল। ৩০ ডিসেম্বর শেষ হয়েছে। এই দীর্ঘ সময় মদনমোহন মন্দিরের বারান্দায় অধিষ্ঠান করেছিলেন। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী মদনমোহন মন্দিরে এসে পুজো দেন। রাস উৎসব উপলক্ষ্যে যাঁরা মদনমোহন মন্দিরে আসেন ও রাস মেলায় শামিল হন তাঁদের অধিকাংশই এবার রাতে হালকা শীতবস্ত্র গায়ে দিয়ে এসেছেন। কোচবিহারে এখন সকাল ও রাতের দিকে বেশ ভালো ঠান্ডা পড়তে শুরু করেছে। আর এই আবহেই এবার কোচবিহারের প্রাণের ঠাকুর মদনমোহন শীতবস্ত্র গায়ে দেবেন।



