সংবাদদাতা, ঘাটাল: চন্দ্রকোণা-২ ব্লকের ঘোষকিরা গ্রামের শিলাবতী নদীর উপর তৈরি কাঠের সেতুর বেহাল দশা দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি সেতুর একাংশ ভেঙে ঝুলে পড়ায় এলাকার কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রায় আট-দশটি গ্রামের মানুষ চরম সমস্যায় পড়েছেন। বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা সেতুর উপর দিয়েই চলছে সাইকেল ও মোটর সাইকেলের যাতায়াত। যেকোনও মুহূর্তে বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সেতু ব্যবহারকারীরা। চন্দ্রকোণা-২ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হীরালাল ঘোষ বলেন, ‘সত্যিই ওই ব্রিজটি দিয়ে খুবই ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি অবিলম্বে সেতুটি সংস্কার করে দেওয়ার।’
Advertisement
ওই সেতুর উপর দিয়েই ঘোষকিরা, কোল্লা, খুড়শি, কেশেডাল, ভগবন্তপুর, ভৈরবপুর সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দাদের পঞ্চায়েত অফিস, স্কুল, হাসপাতাল ও বাজারে যেতে হয়। বেশ কয়েক বছর ধরেই সেতুটির অবস্থা নড়বড়ে হয়ে গিয়েছে। গত বন্যায় পানার চাপে সেতুর অবস্থা আরও সঙ্গীন হয়ে পড়ে। কাঠের সেতুর একাংশ ভেঙে যায়। ওই ভাঙা অংশ দিয়ে গাড়ি নিয়ে যাতায়াত সম্ভব হবে না জেনে মাসখানেক আগে ঘোষকিরা গ্রামের কৃষকরা নিজেদের উদ্যোগে শিলাবতী নদীর উপর বালি ও মাটি দিয়ে একটি অস্থায়ী রাস্তা তৈরি করেন। অস্থায়ী রাস্তা দিয়ে যাতায়াত সম্ভব হলেও সেটিও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
স্থানীয় বাসিন্দা বিমলা মণ্ডল, রাজু দলুই, পার্থ ঘোষ প্রমুখ জানান, ৮০-এর দশক থেকে শুরু করে একাধিকবার পঞ্চায়েত, ব্লক ও জেলা স্তরে লিখিত আবেদন জানানো হলেও শিলাবতী নদীর উপর স্থায়ী কংক্রিট সেতু নির্মাণের কোনও উদ্যোগ নেয়নি প্রশাসন। এমনকী গ্রাম পঞ্চায়েতের তৈরি কাঠের সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে মেরামতির অভাবে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। অতিরিক্ত বর্ষায় নদীর জলে সেতুটি প্রায় ডুবে গিয়েছিল। পানার চাপে সেতু ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় গ্রামবাসীরা নিজেরাই হাত লাগিয়ে সেটি রক্ষা করেছিলেন। কিন্তু বেশ কিছুটা অংশ ভেঙে গিয়েছে। তবুও সেতু মেরামতে কোনও উদ্যোগ চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ।
সেতুর বেহাল অবস্থাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। বিজেপির চন্দ্রকোণা-১ মণ্ডল সভাপতি সুকান্ত দোলই বলেন, ‘সরকারের কাটমানির রাজনীতি চলছে। আবাস যোজনা নিয়ে মেতে রয়েছে, কারণ সেখানে কাটমানি পাওয়া যাবে। এই সেতু নিয়ে গ্রামবাসীরা বারবার বিক্ষোভ দেখিয়েছেন, কিন্তু সরকার কর্ণপাত করেনি।’ তৃণমূল কংগ্রেসের ভগবন্তপুর-১ নম্বর অঞ্চল সভাপতি আরমান আলি খান বলেন, ‘ভাঙা সেতুটি দ্রুত মেরামত করা হবে।’
ব্লকের বিডিও উৎপল পাইক জানিয়েছেন, ‘গ্রাম পঞ্চায়েত সেতুটি মেরামত করবে। ইতিমধ্যেই আমরা জেলার কাছে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছি। শিলাবতী নদী ও কেঠিয়া খালের উপর দু’টি কংক্রিটের সেতু নির্মাণের জন্য সার্ভের কাজ শুরু হবে আবাস যোজনার কাজ শেষ হওয়ার পর।’
দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ পেরিয়ে গ্রামের মানুষ একটি স্থায়ী কংক্রিট সেতুর দাবিতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ চাইছেন। ভাঙা সেতুটি দ্রুত মেরামত না হলে তাঁদের জীবনের ঝুঁকি বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় বাসিন্দা বিমলা মণ্ডল, রাজু দলুই, পার্থ ঘোষ প্রমুখ জানান, ৮০-এর দশক থেকে শুরু করে একাধিকবার পঞ্চায়েত, ব্লক ও জেলা স্তরে লিখিত আবেদন জানানো হলেও শিলাবতী নদীর উপর স্থায়ী কংক্রিট সেতু নির্মাণের কোনও উদ্যোগ নেয়নি প্রশাসন। এমনকী গ্রাম পঞ্চায়েতের তৈরি কাঠের সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে মেরামতির অভাবে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। অতিরিক্ত বর্ষায় নদীর জলে সেতুটি প্রায় ডুবে গিয়েছিল। পানার চাপে সেতু ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় গ্রামবাসীরা নিজেরাই হাত লাগিয়ে সেটি রক্ষা করেছিলেন। কিন্তু বেশ কিছুটা অংশ ভেঙে গিয়েছে। তবুও সেতু মেরামতে কোনও উদ্যোগ চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ।
সেতুর বেহাল অবস্থাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। বিজেপির চন্দ্রকোণা-১ মণ্ডল সভাপতি সুকান্ত দোলই বলেন, ‘সরকারের কাটমানির রাজনীতি চলছে। আবাস যোজনা নিয়ে মেতে রয়েছে, কারণ সেখানে কাটমানি পাওয়া যাবে। এই সেতু নিয়ে গ্রামবাসীরা বারবার বিক্ষোভ দেখিয়েছেন, কিন্তু সরকার কর্ণপাত করেনি।’ তৃণমূল কংগ্রেসের ভগবন্তপুর-১ নম্বর অঞ্চল সভাপতি আরমান আলি খান বলেন, ‘ভাঙা সেতুটি দ্রুত মেরামত করা হবে।’
ব্লকের বিডিও উৎপল পাইক জানিয়েছেন, ‘গ্রাম পঞ্চায়েত সেতুটি মেরামত করবে। ইতিমধ্যেই আমরা জেলার কাছে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছি। শিলাবতী নদী ও কেঠিয়া খালের উপর দু’টি কংক্রিটের সেতু নির্মাণের জন্য সার্ভের কাজ শুরু হবে আবাস যোজনার কাজ শেষ হওয়ার পর।’
দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ পেরিয়ে গ্রামের মানুষ একটি স্থায়ী কংক্রিট সেতুর দাবিতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ চাইছেন। ভাঙা সেতুটি দ্রুত মেরামত না হলে তাঁদের জীবনের ঝুঁকি বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।



