Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শুখা মরশুমে যমুনা নদী থেকে দেদার বালি পাচার

শুখা মরশুমে যমুনা নদী থেকে দেদার বালি পাচার
  • ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, হলদিবাড়ি: প্রশাসনের নজরদারির চূড়ান্ত অভাব। তার জেরে জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের দক্ষিণ বেরুবাড়ি গ্ৰাম পঞ্চায়েতের যমুনা নদীতে চলছে দেদার বালি লুট। মাফিয়ারা প্রতিদিন বহাল তবিয়তে বালি পাচার করছে। ভোর থেকে দুপুর গড়িয়ে রাত, ট্রাকে, ট্রাক্টর ট্রলিতে বালি তুলে পাচার করলেও প্রশাসন এতদিনে ব্যবস্থা নিতে পারেনি। স্থানীয়দের মধ্যে গুঞ্জন, এর পিছনের পুলিসের একাংশ কর্মীর মদত রয়েছে। গোটা ঘটনায় ক্ষতি হচ্ছে সরকারের। রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে গোটা কারবার চালাচ্ছে মাফিয়ারা। ভাঙনের জেরে আবাদি জমিও নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। নদী থেকে দিনের পর দিন বালি তোলায় যমুনা সেতু বিপদে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। 
Advertisement
তাঁদের অভিযোগ, প্রতিবছর নদীর জল কমতেই বালি মাফিয়ারা সক্রিয় হয়ে ওঠে। শীতের ঘন কুয়াশাকে কাজে লাগিয়ে প্রচুর বালি লুট করে  পাচার করে। ট্রাক্টরের ট্রলিতে বালি পাচার করা হচ্ছে। যমুনা সেতু থেকে ৫০ মিটার দূরে বালি তোলা হয়। এতেই যমুনা সেতুটি বসে যেতে পারে বলে আশঙ্কা। এছাড়াও যমুনা নদী থেকে ভূমি রাজস্ব দপ্তরের অফিসের দূরত্ব ৩০কিমি। ফলে এলাকা দেখাশোনা করে মানিকগঞ্জ আউট পোস্ট। 
স্থানীয় বাসিন্দা প্রশান্ত রায়, হরিপদ রায়ের অভিজ্ঞতা, অবৈধ বালি কারবারের প্রতিবাদ করলে মাফিয়াদের রোষের মুখে পড়তে হয়। পুলিসে খবর দিলে বালিবোঝাই গাড়িগুলি পুলিস নিয়ে যায়। কিন্তু পরে সেগুলি ছেড়ে দেওয়া হয়। বালি তোলার ফলে নদীবক্ষে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যমুনা নদীর সেতুর প্রবল ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। 
গোটা বিষয়ে জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের বিএলআরও রাজু তামাং বলেন, যমুনা নদী থেকে বালি চুরি রুখতে আরও কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
সম্পর্কিত সংবাদ