সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: নির্মল রঘুনাথপুর শহর গড়ে তুলতে পুরসভা সিটিপিটি (কমিউনিটি টয়লেট, পাবলিক টয়লেট) প্রকল্পে টয়লেটের কাজ করবে। যে প্রকল্পের মাধ্যমে রঘুনাথপুর শহরে মোট ৫৪টি নতুন টয়লেট গড়ে তোলা হবে। ১৩টি ওয়ার্ডে টয়লেটগুলি গড়ে উঠবে। উন্নত মডেল অনুযায়ী টয়লেটগুলি তৈরি করা হবে। টয়লেট নির্মাণের বিষয়ে ইতিমধ্যে পুরসভা সক্রিয় হয়েছে। তবে টয়লেট প্রকল্পের নিয়ে এখনও অর্থ বরাদ্দ হয়নি।
Advertisement
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৪টি কমিউনিটি টয়লেট গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি ২০টি পাবলিক টয়লেট হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে চাহিদা অনুযায়ী কমিউনিটি টয়লেট ও পাবলিক টয়লেট মিলিয়ে তৈরি করা হবে। তবে ১ এবং ১২ নম্বর দু’টি ওয়ার্ডে কোনও কমিউনিটি টয়লেট হবে না। এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কোনও পাবলিক টয়লেট হবে না। শহরের ৮ এবং ১৩ দু’টি ওয়ার্ডে মোট পাঁচটি করে ১০টি কমিউনিটি টয়লেট হবে। ৬ নম্বর ওয়ার্ডে চারটি কমিউনিটি টয়লেট হবে। এছাড়া ৩, ৫, ৭ ও ১১ নম্বর চারটি ওয়ার্ডে তিনটি করে মোট ১২টি টয়লেট হবে। বাকি ২, ৪, ৯ ও ১০ চারটি ওয়ার্ডে দু’টি করে ৮টি টয়লেট হবে।
এছাড়া, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে চারটি, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে তিনটি পাবলিক টয়লেট হবে। পাশাপাশি ২, ১০ এবং ১১ নম্বর তিনটি ওয়ার্ডের দুটি করে মোট ছয়টি পাবলিক টয়লেট করা হবে। বাকি ১, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯ ওয়ার্ডগুলিতে একটি করে পাবলিক টয়লেট করা হবে।
পুর-প্রশাসনের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, বর্তমানে রঘুনাথপুর শহরকে পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। শহরের মধ্যে প্রকাশ্যে কেউ মল মূত্র ত্যাগ করলে জরিমানা দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে। ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা নেওয়া হবে। তাই যাতে মানুষ সহজে টয়লেট সুবিধা পায় তার জন্য একসাথে ৫৪ টি টয়লেট করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জনবসতিপূর্ণ এলাকা তথা বাসস্ট্যান্ড, অটোস্ট্যান্ড, টোটোস্ট্যান্ড, শ্মশান ঘাট, খেলার মাঠ সংলগ্ন এলাকাগুলিতে টয়লেটগুলি গড়ে তোলা হবে।
যদিও বিরোধীদের অভিযোগ, তৃণমূল পরিচালিত পুরসভায় বেশ কয়েকজন চেয়ারম্যান বিদায় নিয়েছে। অথচ এখন পর্যন্ত শহরের নোংরা, আবর্জনা ফেলার জন্য একটি ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরি করতে পারেনি। তাই যত্রতত্র নোংরা, আবর্জনার স্তূপ হয়ে পড়ে থাকে। শহরে সেই নোংরা আবর্জনা রাজ্য সড়কের পাশে ফেলা হয়। সাধারণ মানুষও ডাম্পিং গ্রাউন্ডের দাবি জানিয়েছেন।
রঘুনাথপুর পুরসভার চেয়ারম্যান তরণী বাউরি বলেন, কোনও একটি কাজ সম্পন্ন করতে গেলে একদিনে হয় না। তার জন্য দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হয়। ডাম্পিং গ্রাউন্ড করার জন্য বেশ কয়েকটি জায়গা নির্বাচন করা হয়েছিল। কিন্তু জমিজট সমস্যা ও এলাকাবাসীর বাধার জন্য কাজ হয়নি। শহরে ১১৮ জন সাফাই কর্মী রয়েছেন। তাঁরা প্রতিদিন পুরসভার ১৩টি ওয়ার্ড পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন রাখার কাজ করেন। এছাড়া রয়েছেন ভিভিডি কর্মী। তাঁরা সাফাইয়ের পাশাপাশি মশা, মাছি নিধনের জন্য কীটনাশক স্প্রে করেন। পাশাপাশি শহরকে পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন করে রাখার দায়িত্ব নাগরিকদেরও। তাই সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
এছাড়া, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে চারটি, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে তিনটি পাবলিক টয়লেট হবে। পাশাপাশি ২, ১০ এবং ১১ নম্বর তিনটি ওয়ার্ডের দুটি করে মোট ছয়টি পাবলিক টয়লেট করা হবে। বাকি ১, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯ ওয়ার্ডগুলিতে একটি করে পাবলিক টয়লেট করা হবে।
পুর-প্রশাসনের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, বর্তমানে রঘুনাথপুর শহরকে পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। শহরের মধ্যে প্রকাশ্যে কেউ মল মূত্র ত্যাগ করলে জরিমানা দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে। ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা নেওয়া হবে। তাই যাতে মানুষ সহজে টয়লেট সুবিধা পায় তার জন্য একসাথে ৫৪ টি টয়লেট করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জনবসতিপূর্ণ এলাকা তথা বাসস্ট্যান্ড, অটোস্ট্যান্ড, টোটোস্ট্যান্ড, শ্মশান ঘাট, খেলার মাঠ সংলগ্ন এলাকাগুলিতে টয়লেটগুলি গড়ে তোলা হবে।
যদিও বিরোধীদের অভিযোগ, তৃণমূল পরিচালিত পুরসভায় বেশ কয়েকজন চেয়ারম্যান বিদায় নিয়েছে। অথচ এখন পর্যন্ত শহরের নোংরা, আবর্জনা ফেলার জন্য একটি ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরি করতে পারেনি। তাই যত্রতত্র নোংরা, আবর্জনার স্তূপ হয়ে পড়ে থাকে। শহরে সেই নোংরা আবর্জনা রাজ্য সড়কের পাশে ফেলা হয়। সাধারণ মানুষও ডাম্পিং গ্রাউন্ডের দাবি জানিয়েছেন।
রঘুনাথপুর পুরসভার চেয়ারম্যান তরণী বাউরি বলেন, কোনও একটি কাজ সম্পন্ন করতে গেলে একদিনে হয় না। তার জন্য দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হয়। ডাম্পিং গ্রাউন্ড করার জন্য বেশ কয়েকটি জায়গা নির্বাচন করা হয়েছিল। কিন্তু জমিজট সমস্যা ও এলাকাবাসীর বাধার জন্য কাজ হয়নি। শহরে ১১৮ জন সাফাই কর্মী রয়েছেন। তাঁরা প্রতিদিন পুরসভার ১৩টি ওয়ার্ড পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন রাখার কাজ করেন। এছাড়া রয়েছেন ভিভিডি কর্মী। তাঁরা সাফাইয়ের পাশাপাশি মশা, মাছি নিধনের জন্য কীটনাশক স্প্রে করেন। পাশাপাশি শহরকে পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন করে রাখার দায়িত্ব নাগরিকদেরও। তাই সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।



