নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: রবিবার থেকেই রাজ্যের বহু তৃণমূল কর্মী সমর্থক কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেবেন। বিশেষত উত্তরবঙ্গের ঘাসফুল কর্মীরা আগেই ধর্মতলায় পৌঁছতে চান। দীর্ঘ পথ এসে তাঁরা অনেকেই শক্তিগড়ে মিষ্টিমুখ করেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। সেকথা মাথায় রেখে রবিবার থেকে শক্তিগড়ে ল্যাংচা, সীতাভোগ, মিহিদানা মজুত শুরু হয়ে গিয়েছে। এলাকার বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে কয়েক কুইন্টাল এসব মিষ্টি শোভা পাবে। এবার শক্তিগড়ে আলাদাভাবে দু’দিনের ল্যাংচা মেলা বসছে। ফলে শাসকদলের কর্মীরা ফাঁকা মাঠে গাড়ি দাঁড় করিয়ে মিষ্টির স্বাদ নিতে পারবেন। ২১ জুলাই বিকেলে ফেরার পথেও মিষ্টি নিয়ে যেতে পারবেন।
বর্ধমান উত্তরের বিধায়ক নিশীথ মালিক বলেন, এবারই প্রথম মেলা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রাস্তার পাশে মাঠে ৪২টি মিষ্টির দোকান থাকবে। এছাড়া, ঝালমুড়ি, চা, চপের দোকানও থাকবে। মাঠের বদলে রাস্তার পাশে গাড়ি দাঁড় করানো যাবে না।
প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে মিষ্টি ব্যবসায়ীরা খুশি। তাঁরা বলেন, দোকানের সামনে চার-পাঁচটি গাড়ি দাঁড়িয়ে গেলে যানজট দেখা দেয়। ক্রেতাবিক্রেতা সবারই অসুবিধা হয়। মাঠে সেই সমস্যা হবে না। পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকায় ক্রেতার সংখ্যাও বাড়বে।
গতবছর খাদ্যসুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা অভিযান চালিয়ে প্রচুর নষ্ট হয়ে যাওয়া ল্যাংচা উদ্ধার করেন। সেই থেকে ব্যবসায়ীরা সতর্ক হয়েছেন। ল্যাংচার গুণমানের দিকে তাঁরা নজর দিয়েছেন। সেকারণে এবার মিষ্টি বিক্রি অনেক বেড়ে যাবে বলে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন।