নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোটি কোটি টাকা খরচ করে সাগরদিঘির চারপাশে বোলার্ড লাগানো হয়েছে। কিন্তু কয়েক মাস যেতে না যেতেই সেই বোলার্ডের মাথা ভেঙে ফেলা হচ্ছে। জেলাশাসক, পুলিস সুপার, মহকুমা শাসকের দপ্তর, পুরসভার নাকের ডগায় দিনের পর দিন এই ঘটনা ঘটছে।
Advertisement
সরকার কোচবিহার শহরকে হেরিটেজ শহর হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। সেই লক্ষ্যে কাজও চলছে। তারই অঙ্গ হিসেবে কোচবিহারের অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ সাগরদিঘিতে সৌন্দর্যায়নের কাজ হয়েছে। খড়্গপুর আইআইটি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও নকশা অনুমোদন করে সাগরদিঘির চারপাশ সাজানো হয়েছে। সাগরদিঘির চারপাশে ফুটপাথ ঘেঁষে ৬২৫টি বোলার্ড লাগানো রয়েছে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে বহু বোলার্ডের মাথার গোল অংশটি কে বা কারা ভেঙে দিচ্ছে।
সাগরদিঘির সৌন্দর্যায়নের কাজ মিউনিসিপ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিরেক্টরেট করছে। ফলে ওই দপ্তরের পক্ষ থেকেই বোলার্ডের মাথার গোল অংশটি ভেঙে ফেলার বিষয়টি জানিয়ে জেলাশাসককে চিঠি করা হয়েছে। সেখানে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও নিরাপত্তারক্ষী নিযুক্ত হয়নি বলে দপ্তরের দাবি।
শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এমন ঘটনা দিনের পর দিন কীভাবে ঘটছে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এসব রুখতে সিসি ক্যামেরার সাহায্য নেওয়া উচিত বলেও অনেকে মনে করছেন। এই পরিস্থিতিতে মহকুমা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মিউনিসিপ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিরেক্টরেটের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সুমন সরকার বলেন, সাগরদিঘির চারপাশে সৌন্দর্যায়নের কাজের অংশ হিসেবে ফুটপাথ ও রাস্তাকে আলাদা করতে বোলার্ড লাগানো হয়েছে। কিন্তু সুদৃশ্য এই বোলার্ডগুলির মাথার গোল অংশটি একের পর এক ভেঙে ফেলা হচ্ছে। বিষয়টি জানিয়ে জেলাশাসককে চিঠি করা হয়েছে। ছবি দেওয়া হয়েছে। তিনি নিরাপত্তা দেবেন বলেছেন। এগুলি ভেঙে ফেলার কারণে এই কাজ হস্তান্তর করা যাচ্ছে না। কোচবিহারের মহকুমা শাসক কুণাল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শহরের সৌন্দর্যায়নের জন্যই এই কাজ করা। তাই সকলেরই এই কাজ রক্ষা করার দায়িত্ব। প্রশাসন নিশ্চয়ই বিষয়টি দেখবে।
সাগরদিঘির সৌন্দর্যায়নের কাজ মিউনিসিপ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিরেক্টরেট করছে। ফলে ওই দপ্তরের পক্ষ থেকেই বোলার্ডের মাথার গোল অংশটি ভেঙে ফেলার বিষয়টি জানিয়ে জেলাশাসককে চিঠি করা হয়েছে। সেখানে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও নিরাপত্তারক্ষী নিযুক্ত হয়নি বলে দপ্তরের দাবি।
শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এমন ঘটনা দিনের পর দিন কীভাবে ঘটছে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এসব রুখতে সিসি ক্যামেরার সাহায্য নেওয়া উচিত বলেও অনেকে মনে করছেন। এই পরিস্থিতিতে মহকুমা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মিউনিসিপ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিরেক্টরেটের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সুমন সরকার বলেন, সাগরদিঘির চারপাশে সৌন্দর্যায়নের কাজের অংশ হিসেবে ফুটপাথ ও রাস্তাকে আলাদা করতে বোলার্ড লাগানো হয়েছে। কিন্তু সুদৃশ্য এই বোলার্ডগুলির মাথার গোল অংশটি একের পর এক ভেঙে ফেলা হচ্ছে। বিষয়টি জানিয়ে জেলাশাসককে চিঠি করা হয়েছে। ছবি দেওয়া হয়েছে। তিনি নিরাপত্তা দেবেন বলেছেন। এগুলি ভেঙে ফেলার কারণে এই কাজ হস্তান্তর করা যাচ্ছে না। কোচবিহারের মহকুমা শাসক কুণাল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শহরের সৌন্দর্যায়নের জন্যই এই কাজ করা। তাই সকলেরই এই কাজ রক্ষা করার দায়িত্ব। প্রশাসন নিশ্চয়ই বিষয়টি দেখবে।



