নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গঙ্গাসাগর মেলায় অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এজন্য অতিরিক্ত পাম্প যুক্ত বাইক নিয়ে আসছে অগ্নিনির্বাপণ দপ্তর। এছাড়া অস্থায়ী দমকল কেন্দ্রের দিকেও বাড়তি নজর দেওয়া হয়েছে। শনিবার মেলার প্রস্তুতি দেখার পর সাংবাদিক বৈঠকে দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, গতবার আগুন নেভানোর জন্য ৫০টি বাইক রাখা হয়েছিল। এবারে সেটা বাড়িয়ে ৭৫ করা হয়েছে। বাফার জোনেও থাকবে অস্থায়ী দমকল কেন্দ্র, যা আগে থাকতো না। ছোট ও ঘিঞ্জি জায়গায় বাইক সহজে চলে যেতে পারবে। তাছাড়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষ পছন্দের এই বাইক পরিষেবা।
Advertisement
অতিরিক্ত যে ২৫টি বাইক আনা হচ্ছে, তার বৈশিষ্ট হল: একটি বাইকের প্রায় ৩০ লিটার জল বহনের ক্ষমতা থাকবে। আগুন নেভাতে গিয়ে সেটা শেষ হয়ে গেলে বাইরে থেকে জল সংগ্রহের ব্যবস্থাও এতে থাকছে। বাইকে থাকছে পাম্প। আশপাশে কোনও জলের উৎস থাকলে সেখান থেকে ওই পাম্পের সাহায্যে জল তুলে ব্যবহার করা যাবে। এই প্রথম এমন বাইক গঙ্গাসাগর মেলায় ব্যবহার করা হবে বলে জানান ডিরেক্টর অব ফায়ার সার্ভিস অভিজিৎ পান্ডে। এছাড়া মেলার জন্য প্রায় ৪৫০ কর্মী ও অফিসার থাকবেন।
অন্যদিকে, এদিন গঙ্গাসাগর বকখালি ডেভেলপমেন্ট অথরিটির আয়োজনে গঙ্গাসাগর মেলা প্রাঙ্গণে এক শোভাযাত্রা হয়। সেখান থেকে গঙ্গাসাগর মেলাকে ‘ক্লিন এবং গ্রিন’ করার বার্তা দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, এদিন গঙ্গাসাগর বকখালি ডেভেলপমেন্ট অথরিটির আয়োজনে গঙ্গাসাগর মেলা প্রাঙ্গণে এক শোভাযাত্রা হয়। সেখান থেকে গঙ্গাসাগর মেলাকে ‘ক্লিন এবং গ্রিন’ করার বার্তা দেওয়া হয়।
মেলার প্রস্তুতি দেখতে সাগরে মন্ত্রী সুজিত বসু। শনিবার তোলা নিজস্ব চিত্র।



