Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পুলিশি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি, বারাসতে রাতারাতি দেহব্যবসার কৌশলে বদল!

স্পায়ের আড়ালে দেহব্যবসার বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযান চালাবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছে। আর তারপরেই বদলেছে এই কারবারের ধরন।

পুলিশি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি, বারাসতে  রাতারাতি দেহব্যবসার কৌশলে বদল!
  • ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: স্পায়ের আড়ালে দেহব্যবসার বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযান চালাবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছে। আর তারপরেই বদলেছে এই কারবারের ধরন। চাপে পরে সাময়িক বারাসত, মধ্যমগ্রাম এলাকার স্পা সেন্টারগুলি দেহব্যবসা বন্ধ করেছে। কিন্তু তরুণী-যুবতীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন মালিকরা।

Advertisement

বিশ্বস্ত সূত্র বলছে, কয়েকজন অনলাইন চেন হোটেল ব্যবসার অংশীদার হয়ে ঘুরিয়ে হোটেলে দেহব্যবসা শুরু করেছেন। এক্ষেত্রে হোটেল কর্তৃপক্ষ খরিদ্দারদের সঙ্গে আগেই যোগাযোগ করছে। তাঁদের চাহিদামতো তরুণীর ব্যবস্থা করে ঘণ্টা হিসেবে হোটেলের ঘর ভাড়া দেওয়া হচ্ছে। তরুণীদের থেকে কমিশনও নেওয়া হচ্ছে। নতুন পদ্ধতি এখন ‘ওপেন সিক্রেট’! বারাসত বা মধ্যমগ্রাম এলাকায় এখন কলকাতা বা হাওড়া জেলা থেকে মহিলাদের নিয়ে আসা হচ্ছে। শুধু চেন হোটেল নয়, বিভিন্ন পানশালাতেও ‘গোপন ঘরে’ এই কারবার সক্রিয় বলে সূত্রের দাবি। এই চক্রের সদস্যদের ধরতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে অশোকনগরের নাবালিকা নিখোঁজ কাণ্ডের তদন্তে ‘সিন্ডিকেট’ ধরেছে বারাসত জেলা পুলিশ। এই চক্রের আরও এক দালালকে গ্রেফতার করেছে অশোকনগর থানা। ধৃতের নাম রাজিয়া বিবি ওরফে বেবো। তাঁর বাড়ি লেকটাউনে। দু’দিন আগে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি এখন পুলিশ হেপাজতে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যাদবপুরের বাসিন্দা ধৃত বাপি কর্মকার ওরফে রাহুলের থেকে নাবালিকাকে নিয়ে ওড়িশায় দেহব্যবসার কাজে গিয়েছিলেন রাজিয়া। পরে নাবালিকাকে কলকাতায় নিয়ে এলে সে পালিয়ে যায়। এরপর ওই নাবালিকা রহড়ায় এক পরিচিতর বাড়িতে আশ্রয় নিলে সেখান থেকেই পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। এর মধ্যেই নাবালিকাকে বারাসত কাজিপাড়া লাগোয়া স্পা সেন্টারে নিয়ে আসা হয়েছিল দেহব্যবসার কাজে। সেই খবর জানার পরেই সেই স্পা সেন্টারে হানা দিয়ে ম্যানেজার সহ একাধিকজনকে পাকড়াও করে পুলিশ দেহব্যবসার পর্দাফাঁস করে। ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ